প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:বৌ-ঠাকুরাণীর হাট-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৩৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বৌ-ঠাকুরাণীর হাট も● ছিল না। যে ন হইতে স্ত্রপুরের ঘবে ত হাল বিল কইল, এা নিষ্ট, হইতে উদয় কেমন যে হইল কিছু বুঝিতে পাবিতেছি না।” ' মহাবাজ মুরমাকে শাসনে বাপিতে আদেশ কবিয বাহিরে গেলেন । মহিষী উদযাদিত্যকে ডাকাইয। পাঠাইলেন। উদয়নিত্য অসিলে র্তাহাব মুখের দিকে চাহিয। কহিলেন, “আহ, বছ। অামাব রোগ, কালে হইয*ি গিয়াছে । বিয়ের আগে বাছাব বং কেমন ছিল । যেন তপ্ত সেনাব মতো । তেবে এমন দশ। কে কবিল ? বাবা, বড বেী তোকে যা বলে তা শুনিস না ! তাব কথা শুনিযাই তোর এমন দশা হইয়াছে।” সুরমা ঘোমটা দিয়া চুপ করিয়া এক পাশে দাড়াইযাছিল। মহিষী বলিতে লাগিলেন “ওর ছোট বংশে জয়, ও কি তোব যোগ্য? ওঁ কি তোকে পরামর্শ দিতে জানে ? আমি যথার্থ , কথা বলিতেছি ও ੀ। তোকে ভাল পরামর্শ দেয় না তোব মন হইলেই ও যেন বঁাচে । , এমন বাক্ষসীয় সঙ্গেও মহাবীজ ভোর বিবাহ দিয়াছিলেন ।” মহিষী অশ্র বর্ষণ করিতে আরম্ভ করিলেন । উদয়াদিত্যের প্রশান্ত ললাটে ঘৰ্ম্মবিন্দু দেখা দিল। তাহর মনের अशैक्लङ পাছে প্রকাশ হইয়া পডে, এই নিমিত্ত তাহার আযতনেত্র অন্ত দিকে ফিরাইব্রুেক একজন পুরানো, বৃদ্ধ দাসী বসিয়াছিল, সে হাত নাডিযবলিয়া উড়ি, —“শ্রীপুরের যাদু জানে। নিশ্চয় বাছাকে, ওষুধ করিয়াছে।” এই বলিয়া, উীয়াদিত্যের কাছে গ্লিয়া বলিল, “ৰাবাও তোমাকে ওষুধ করিয়াছে। ঐ যে মেয়েই দেখিতেছ, উনি বড় সামাঞ্চয়ে মন! শ্রীপুরের ঘরের মেয়ে। ওরা ভাইনি ! আহা বাছার শরীরে আর কিছু বাখিল না !” এই বলিয়া সে সুরমার দিকে জীবের মতো এক কটাক্ষ বর্ষণ ক্ষরিল ও আঁচল দিয়া দুই হন্তে দুই শুষ্ক চক্ষু রগড়াইয়াtiাল বরিয়া kটতোহ দৈখিয়া জাবার মহিষীর দুঃখ একেবারে উখণুিৱা উঠিল।