প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:বৌ-ঠাকুরাণীর হাট-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৫৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


(շԵր বৌ-ঠাকুরাণীর হাট 學習 কিংক্ষণ স্তব্ধভাবে থাকিয় কহিলেন—“লছমন্‌ শুন, কাল প্রভাতে যখন বামচন্দ্র বায় অন্তঃপুব হইতে বাহির হইবে, তখন তাহাকে বধ করিবে, তোমার উপর আদেশ রহিল ।” শু্যালক দেখিলেন তিনি যত দুব মনে করিয়াছিলেন, তাহ অপেক্ষ। অনেক অধিক হইয। গিয়াছে। তিনি সেই রাত্রে চুপি চুপি আসিযা বিভীর শয়ন-কক্ষের দ্বাবে অঘাত কবিলেন । তখন দূর হইতে দুই প্রহরের নহবং বাজিতেছে। নিস্তব্ধ রাত্রে সেই নহবতের শ দ, জ্যোৎস্নার সহিত, দক্ষিণ-বাতাসেব সহিত মিশিয়। ঘুড়ি প্রাণের মধ্যে স্বপ্নকক্ট করিতেছে। বিভার শয়ন-কক্ষেব মুক্ত বাতায়ন ভেদ করিয়া জ্যোৎস্নাব আলে| বিছানায আসিয়া পডিয়াছে, রামচন্দ্র রায় নিজায় মগ্ন। বিভা উঠিয় বসিয়৷ চুপ করিয়৷ গালে হাত দিয়া ভাবিতেছে। জ্যোৎস্কার দিকে চাহিয়া তাহার চোখ দিয়া দুই এক বিজু অশ্র ঝরিষা পড়িতেছিল। বুঝি যেমনটি কল্পনা করিয়াছিল ঠিক তেমনটি হয় নাই। তাহাব প্রাণেব মধ্যে র্কাদিতেছিল। এতদিন যাহার জন্য অপেক্ষ করিষাছিল, সে দিন ত আজ আসিয়াছে ! রামচন্দ্র রায় শয্যায় শয়ন কবিষ অবধি বিভার সহিত একটি কথা কন নাই। প্রতাপাদিত্য র্তাহাকে অপমান করিয়াছে—তিনি প্রতাপআদিত্যকে অপমান করিবেন কী কবিয ? না, র্ষিভাকে অগ্রাহ করিয়া। তিনি জানাইতে চান, “তুমি ত যশোহরের প্রতাপাদিত্যের মেয়ে, চন্দ্রদ্বীপাধিপতি রাজ রামচন্দ্র রায়ের পাশে কি তোমাকে সাজে ?” এই স্থির করিয়া সেট যে পাশ ফিরিয়া শুইয়াছেন আর পার্শ্বপরিবর্তন করেন নাই। যত মান অভিমান সমস্তই বিভার প্রতি। বিভা জাগিয়া বসিয়া ভাবিতেছে । একবার জ্যোংস্কার দিকে চাহিতেছে, ੰਸ਼ੋ মুখের দিকে চাহিতেছে। তাহার বুক কঁপি কঁাপিয়া এক একবার দীর্ঘনিশ্বাস উঠতেছে—প্ৰাণের মধ্যে বড় ব্যথা বাজিয়াছে। সহস