প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:বৌ-ঠাকুরাণীর হাট-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৭৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বৌ-ঠাকুরাণীর হাট ৭৩৯ গেলেন। স্বৰম উদযাদিত্যেব হাত ধবিয়া কহিল, “এখন তোমাব কী হইবে r" উদযাদিত্য কহিলেন, “আমব জন্য আমি ভাবি না।” এদিকে নৌকা খানিক দূব গিয আটক পডিল। বড় বড় শাল কাঠে খাল বদ্ধ। এমন সমষে সহসা প্রহবীব দুব হইতে দেখিল, নৌক পলাইয। যায। পথিক ছুড়িতে আবন্ত কবিল, একটাও গিয় পৌছিল না। প্রহরীদেব হাতে তলোযাব ছিল, বন্দক ছিল না। একজন বন্দুক আনিতে গেল। খোজ খোজ কবিয়া বন্দুক জুটিল ত চকমকি জুটিল না —“ওবে বারুদ কোথায—গুলি কোথায" কবির্তে কবিতে বামমোহন ও অন্সচবগণ কাঠেব উপব দিয নৌক টানিয৷ তুলিযা লইয। গেল। প্রহরীগণ অন্সসবণ কবিবাব জন্য একট। নৌকা ডাকিতে গেল। যাহার উপবে নৌকা ডাকিবাব ভাব পডিল, পথের মধ্যে সে হবিমুদীব দোকানে এক ছিলিম তামাক পাইয লইল ও বামশঙ্কবকে তাহার বিছান হইতে উঠাইয। তাহাব পাওনা টাকা শীঘ্ৰ পাইবাব জন্ত তাগাদ কবিয়া গেল। " যপন নৌকাব প্রযোজন একেবাবে ফুবাইল তখন হাক ডাক কবিতে " কবিতে জোঁক। আসিল । বিলম্ব দেখিযা সকলে নৌক-আহবানকাৰীকে সুদীর্ঘ ভংসনা কবিতে আবস্তু কবিল। সে কহিল, “আমি ত আব ঘোড নই ।” একে একে সকলেব যখন ভংসন কব ফুবাইল, তখন তাঙ্কাদেব চৈতন্য হইল যে, নৌক ধৰিবাব আব কোনো সম্ভাবনা নাই। নৌক৷ আনিতে যে বিলম্ব হইয়াছিল ভৎসন। কবিতে তাহাব তিন গুণ বিলম্ব হইল। যখন বামচঞ্জেব নৌকা ভৈবব নদে গিয়া পৌছিল তখন ফর্ণাণ্ডিজ এক তোপের আওষাজ কবিল। প্রত্যুষে প্রতাপাদিত্যের নিদ্ৰাকর্ষণ হইয়াছিল। লেই তোপেব শব্দে সহসা ঘুম ভাঙ্গিয়া গেল। তিনি ডাকিয। উঠিলেন গ্রহরি ” . কেহই আসিল না। স্বাবের প্রহরিগণ সেই বাত্রেই পালাইয় গেছে। &তাপাদিত্য উচ্চতর স্ববে ডাকিলেন "প্রহবি ।”