প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:বৌ-ঠাকুরাণীর হাট-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৭৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বৌ-ঠাকুরাণীর হাট ዓg কাছে রাত্রেব ঘটনা সমস্তই অবগত হইলেন । যখন শুনিলেন, রামচন্দ্র রাষ পালাইয় গেছেন, তখন র্তাহার বিশেষ ভাবনা উপস্থিত হইল। মন্ত্রী বাহিবে গিযা দেখিলেন, খৰ্ব্বকাম বমই ভাড গুডি মারিয়া বসিয়া আছে। মন্ত্রীকে দেখিরা রমাষ্ট ভাড কহিল “এই যে মন্ত্রী জাম্বুবান !” বলিয় দত বহির কবিল। তাহাব সেক্ট দন্তপ্রধান হাস্যকে রামচন্দ্রের সভাসদেব বসিকতা বলিত, বিভীষিক বলিত না । মন্ত্রী তাহার সাদব সম্ভাষণ শুনিয কিছুই বলিলেন না, তাহাব প্রতি দুকপাত ও করিলেন না । একজন ভৃত্যকে কহিলেন “ইহাকে লক্টৰ অন্য !” মন্ত্রী ভাবিলেন, এই অপদার্থটাকে এই বেল প্রতাপাদিত্যেব ক্রোধের সামনে খাড করিয়া দিই । প্রতাপাদিত্যের বজ্র একজন ন। একজনেব উপবে পড়িবেই—তা এই কলাগাছটার উপরেই পডুক, বাকি বড় বড় গাছ বক্ষ। পাক ! বমাইকে দেখিযাই প্রতাপাদিত্য একেবারে জলিযা উঠিলেন— লিশেষতঃ সে যখন প্রতাপাদিত্যকে সন্তুষ্ট করিবাব জন্য দাত বাহির কবিষ, অঙ্গভঙ্গী করিম একটা হাস্য বসের কথা কহিবাব উপক্রম করিল, তখন প্রতাপাদিত্যের আর সহ্য হইল না, তিনি অবিলম্বে আসন ত্যাগ করিয়| উঠিয়া, দুই হাত নাডিযা দারুণ রণায় বলিয। উঠিলেন, “দূর কবে, দূর করে উহাকে এখনি দূর কবিয়া দাও! ওটাকে আমার সম্মখে আনিতে কে কহিল ?” প্রতাপাদিত্যের রাগেব সহিত যদি ঘৃণার উদয় ন হইত, তবে রমাই ভাড় এ যাত্র পরিত্রাণ পাইত ন! ! কেন ন ঘৃণ্য ব্যক্তিকে প্রহর করিতে গেলেও স্পর্শ কবিতে হয় । রমাইকে তৎক্ষণাৎ বাহিব করিয়া দেওয়া হইল । মন্ত্ৰী কহিলেন, “মহারাজ, রাজজামাতা,” প্রতাপাদিত্য অধীর ভাবে মাথা নাড়িয়া কহিলেন, “রামচন্দ্র রায়—” মন্ত্রী কহিলেন, “ষ্ঠা, তিনি কাল রাত্রে রাজপুরী পরিত্যাগ করিয়া গিয়াছেন ।” so