প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:ভারতীয় সাধক - শরৎকুমার রায়.pdf/৩৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ভাবতীয় সাধক সাধনার সেই মধ্যপথ এখন তাহাব প্ৰজ্ঞাগোচব হইল। সকল বাসনাব ক্ষয় হৃষ্টবামা নৃ তাহাব চিত্ত নিৰ্বাণীপ্রাপ্ত হইল। যে গৃহকারক জীধেৰ ম7ধ্য থাকি যা গৃহনিৰ্ম্মাণ করে, তাহাকে নব নব জন্ম দান করিয়া দুঃখ দিয়া থাকে, দিব্যনেত্ৰে সিদ্ধাৰ্থ তাহাকে দেখিতে পাইলেন , জ্ঞানানলে গৃষ্ঠকাবা কব বাষ্ঠদণ্ড ও গৃহাবলম্বন ভস্মীভূত হইয়া গেল। BBDBDBBBD S DS DDD SDDDDBDD BDBDS BDBBBD S BDBD তঁহেব নিবিড যোগ হইল । সিদ্ধাথ এখন আব্ব সিদ্ধার্থ নহেন। তাম্বব তৃষ্ণা নাই, জ্ঞান দ্বারা স শব্য ছেদন কবিয়া তিনি অমৃতপদ লাভ কবিয়াছেন । তিনি এখন বুদ্ধ অর্থাৎ জ্ঞানী । বুদ্ধ যে অমৃত লাভ কবিয়াছেন, “কেমন’কবিয়া তিনি তুঙ্গা একাকী গোপনে সম্ভোগ কবিবেন ? একমাত্র আপনাবা নহে, সকল মানবের দুঃখ শিবে লইয়াই তো তিনি সাধনায় প্ৰবৃত্ত হইয়াছিলেন ; সুতাবাং, তিনি তাহার সাধনলব্ধ অমৃতান্ন সৰ্বমানবোব মধ্যে বিতৰণ না করিয়া নাবিব থাকিবেন কেমন করিয়া ? একটি দ্বিধা তাহাব মনে আসিল । যাহারা অহংবোধেব খাচাব মধ্যে পোষাপাখীব মত সুখে চলফিরা করিতেছে, খোলা আকাশে যাহাবা বিহাবি কবিতেই ভয় পায়, সহসা তিনি তাহাদিগকে অজানা পথে আহবান করিলে, তাহারা সেই পথে বাছির হইতে চাহিবে কেন ? এমনি কবিয়া সংস্কাবের অবিদ্যাব প্ৰাচীব ও রচনা কবিয়া যাহারা তাহাবই মধ্যে চিবকাল গতিবিধি কুরিতেছে, তাহাদের মনে এই এক বিষম আতুঙ্ক রহিয়াছে যে, ”এই প্রাচীরটা ভাঙ্গিয়া ফেলিলেই তাহাদিগকে এক অন্তহীন ভীষণ অন্ধকারেব মধ্যে নিমগ্ন হইতে হইবে। বুদ্ধ ভাবিলেন, ইহাদের নিকট’অতকিতভাবে নূতন সত্য লইয়া উপস্থিত হওয়া বিড়ম্বন। আপন মনে এইরূপ নানা বাদানুবাদ