প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:ভারতীয় সাধক - শরৎকুমার রায়.pdf/৬৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


9. ভারতীয় সাধক ৷ কবার তাহার প্ৰিয়তম মহান পুরুষের প্রেমসাগরে ডুব দিয়া জন্মমৃতু্য অতিক্ৰম করিয়াছিলেন ; তিনি সেই প্রেমসাগরে মগ্ন হইয়া কোথায় গিয়াছিলেন কে জানে ? সেই অসীম৷ অতলের মধ্যে নিমজিত ঠাকুয়া তিনি 'সাধু গোবক্ষকে কহিয়াছেন,- 'ব্ৰহ্ম৷ যখন মুকুট ধারণ কবেন নাই, বিষ্ণু যখন রাজটীকা ধাবণ কবেন নাই, শিবশক্তি যখন জন্মোনও নাই তখনই আমি যোগশিক্ষা করিয়াছি । কাশীতে আমি প্ৰকাশিত হত্যুয়াছি, বামানন্দ সচেতন করিয়াছেন, অসীমের তৃষ্ণা সঙ্গে লহিয়া আসিয়াছি, মিলন কবিতে আঁমি আসিয়াছি।” কবীব র্তাঙ্গার মিলনেব অপূৰ্ব আনন্দ সাধু ধম্মদাসের সমীপে ব্যক্তি কবিয়া বলিয়াছেন,--"প্ৰিয়তম আমাৰ ঘরে আসিয়াছেন। চন্দনে স্মগুরুতে गनिद्ध उठांगाद সুবাসিত হািতয়া উঠিলী, অঙ্গন আমাব কুসুমে কুসুমে আচ্ছন্ন হইয়া গেল। শুভ্ৰ সিংহাসনে প্ৰিয়তম আমাৰ উপবিষ্ট ; প্ৰেম ' ও বৈরাগ্য দ্বারা আমি তাঙ্গা দেখিয়াছি। প্রিয় তমের প্রেমের বুলেই তে৷ এই দর্শন লাভ হইল, জীবন ভবিয়া দেখিয়া লইলাম। আমার ঘরে আমার অঙ্গনে আজ কি আনন্দ, প্ৰেম আজ পরিপূর্ণ ইয়াছে । দুর্লভ অমৃত্যরস আজ ঝরিয়া ঝকুিষা পড়িতেছে, প্রিস্তা, যে আমার নিকটে, প্ৰিয়তম তো দূবে নহেন ৷” এমনভাবে প্রেমস্বরূপের প্ৰেমানন্দে নিমগ্ন থাকিয়া তাঁহারই প্ৰসন্নদৃষ্টির সম্মুখে এই মহাত্মা ’প্ৰতিদিন সংসারেব ছোট বড় সকল কৰ্ত্তব্য “সাধন করিতেন। তিনি ধৰ্ম্মসাধনার জন্য ঘব ছাড়িয়া বনে পলায়ন কবেন নাট-পলায়নের- প্রয়োজনীয়তাও কোনােদিন স্বীকার করেন নাই । তাঁহাব নিৰ্ম্মল গাহস্ক্যিজীবনই এই প্ৰকাব সংসারবিমুখতার উজ্জ্বল প্ৰতিবাদ । তিনি ব্ৰহ্মনিষ্ঠ গহী ছিলেন বলিয়া সংসার তাহার जांशनांत्र, अश्लूनडाछे. করিয়াছে * সকল স্নেহভালবাসার মূলে তিনি সেই রাসম্বরূপকে দেখিতেন, বলিয়াই পারিবারিক সম্বন্ধগুলি তাহার