প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:ভারতীয় সাধক - শরৎকুমার রায়.pdf/৭৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


8 y ভারতীয় সাধক ৷ ব্যয় করিতেন বলিয়া, তাহার সংসাৰী 'পিতা তঁহাকে স্বগহ হইতে তাড়াইয়া দিলেন। তিনি বাসের নিমিত্ত্বে একখানি কুটীর পাইলেন মাত্র, পিতার ধনসম্পদের অংশ হইলে বঞ্চিত হইলেন । ইহাতে লবিদাসেব কোনাে দুঃখ কষ্টন না, সুস্পদের প্রতি তাঁহার কখনও লোভ ছিল না। তিনি জাতিতে মুচি ছিলেন। প্রত্যহ তিনি দুষ্ট জোড়া পাদুকা প্ৰস্তুত করিতেন, এক জোড়া বিনামূল্যে সাধু বৈষ্ণবের চবাণ পাবাষ্টয়া দিতেন, অপর জোড়া বিক্রয় করিযা যাহা পাইতেন তত্ত্বারা প্ৰসন্নচিত্তে সস্ত্রীক, দিনাতিপাত কপিতেন ৷ শ্ৰীভক্তিমালগ্রন্থের অনুবাদক শ্ৰীমৎকৃষ্ণদাস বাবাজা এই প্রসঙ্গে লিখিয়াছেন :- 'छ्झें क्रूफुि कुछ थ्रह्निनि बांनाझेब्र=| এক জুড়ি দেন। তিনি বৈষ্ণব দেখিয়া ৷ এক জুড়ি বেচি করে দেহ নিৰ্বাহণ। বৈষ্ণবের ফাটা জুতা বানাইয়া দেন ৷” বাহিরের এত দীনদরিদ্র মানবটি অন্তরের সম্পদে কত বড় ধনী ছিলেন, পাপতাপদম্ভাহঙ্কার-কলুষিত সাধাবণ মানব তাঙ্গা বুঝিবে কেমন করিয়া ? রত্নেব মূল্য বােঝে সে, যে প্রকৃত জহুরী। এইরূপ কথিত আছে যে, সাধনায় সিদ্ধি লাভ করিয়া মঙ্গাত্মা রামানন্দ যখন ভাবাবেশে তীর্থ যাত্রায় বাহির হইয়াছিলেন, তখন তাঁহার প্ৰেমাঞ্জনলিপ্ত দিব্য নয়নে অনেক শক্তিশালী ব্যক্তি ধরা পড়িয়াছিলেন। রবিদাস ইহাদের অন্যতম ; রবিদাস তাহার-কুটীরের সম্মুখস্থিত রাস্তার আবর্জনা ঋটি দিতেছিলেন, এমন সময়ে পথিক সাধু রামানন্দ তাঙ্গাকে হঠাৎ প্রশ্ন করিলেন,-“তুমি কে ?” বিস্মিত রবিদাস র্তাহারুচরণ বন্দনা করিয়া সবিনয়ে কহিলেন,-“আমি এক অধম মুচি।” রামানন্দ কহিলেন,-“তোমাকে সাধনা করিতে হইবে।” রবিদাস কহিলেন,-“আমি অতি নীচ ; আমার পক্ষে কি ইহা সম্ভব ?” ” রামানন্দ কহিলেন,-“দেখ রবিদাস, তোমাকে কেবলমাত্র