প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:ভারতীয় সাধক - শরৎকুমার রায়.pdf/৭৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


o डब्रिडीघ्र जांक्षक BBBB LDBBDBSDiDBDD BDBS DiB DBD DS S DD BDS DD রাত্ৰিতে কেহ ইহা হরণ করিতে পারে না”। এই সম্পদের যিনি অধিকারী তাহাব কোনো দুশ্চিন্তায় কারণ নাই, তিনি নিরাপদে আপন ঘরে ঘুমাইতে পারেন। হে পরমেশ্বর, যাঁহাকে তুমি এই ধনের অধিকাৰী করিয়াছ, মণিতে তাহার কোন প্রয়োজন ?” এই প্রসঙ্গে শ্ৰীভক্তমালগ্রন্থে মন্তব্য করা হইয়াছে ঃ ‘প্ৰেমানন্দ-রত্নে যেই মগন আছয়। প্রাকৃত মণিতে কি তাহার মন স্থায় ৷ ধৰ্ম্ম অর্থ কাম মোক্ষ অষ্টাদশ সিষ্টি । দৃকপাত না করে যাথে অতি তুচ্চ মুদ্ধি ৷ সেকি বস্তু জ্ঞান করে পরাশরতন। নিত্যানন্দপুর্ণ যার সদানন্দ মন ৷” তের মাস পরে আঁবাব সেই সাধু রবিদাসের কুটীরে উপস্থিত হইলেন। তিনি দেখিলেন, রবিদাসের দারিদ্র্য বিন্দমাত্র দূর হয় নাই, তিনি পূর্বের ন্যায় কাঙ্গালই আছেন। তিনি রবিদাসকে প্রশ্ন করিলেন,-“সেই স্পর্শমণির কি কবিয়াছ ?” রবিদাস কহিলেন, “আমি উহা স্পর্শ করিতে ভীত, আপনি উহা যেখানে রাখিয়া গিয়াছিলেন সেইখানেই আছে৭” সাধু বিস্মিত হইলেন, তিনি স্পষ্টই বুঝিলেন, রবিদাসের হৃদয়ে ধনীলাবাসা কিছুতেই স্থান পাইতে পারে না। এইরূপ কিংবদন্তী আছে, রবিদাস একদিন ঠাকুরেব আসনতলে পাঁচটি স্বর্ণমুদ্রা পাইয়া ভয়ে বিহবল হইয়াছিলেন ; তিনি ঐ অর্থের কি করিবেন কিছুই ঠিক করিয়া উঠিতে পারিতেছিলেন না। অবশেষে ভগবানের আদেশে ঐ অর্থ গ্ৰহণ করিয়া বৈষ্ণব-সেবায় ব্যয় করেন। এই সময়ে তিনি এক ধনী ভক্তেয় "নিকটে প্রভূত অর্থ পাইলেন এবং উক্ত অৰ্থস্থায় তিনি ঠাকুরমন্দির নিৰ্ম্মাণ করিয়া প্ৰত্যহ বৈষ্ণব-সেৰায়