পাতা:মার্কাস্‌ অরিলিয়সের আত্মচিন্তা.djvu/৫৮

এই পাতাটিকে বৈধকরণ করা হয়েছে। পাতাটিতে কোনো প্রকার ভুল পেলে তা ঠিক করুন বা জানান।

(৪৭)

লক্ষণ ও কার্য্যাদি-সম্বন্ধে সবিশেষ পরিচয় লইবে; তাহা হইলে তাহার আসল প্রকৃতি কি, সে বস্তুটা স্বরূপতঃ কি, তৎসম্বন্ধে পৃথক্ভাবে ও সম্পূর্ণরূপে আলোচনা করিতে পরিবে। কেননা, এই জীবনে যাহা কিছু ঘটে, তাহা যদি পদ্ধতিক্রমে পরীক্ষা ও আলোচনা কর, তাহাদের অন্তরের মধ্যে প্রবেশ করিয়া যদি জানিতে পার, প্রত্যেক বস্তুর প্রয়োজন কি, কি প্রকারে বিশ্বপ্রকৃতি তাহার ব্যবহার করে—সমগ্র বিশ্বের সম্বন্ধে, ও যে মানুষ সেই বিশ্বরূপ রাজধানীর একজন নাগরিক, সেই মানুষের সম্বন্ধে তাহার মূল্য কি, সেই বস্তু আমার মনের উপর কিরূপ ছাপ দেয়, উহা কত দিন স্থায়ী হয়, উহাকে ব্যবহার করিতে গেলে আমার মধ্যে কি গুণ থাকা আবশ্যক—সুশীলতা, ধৈর্য্য, সত্যপরায়ণতা, সরলতা, ও আত্মনির্ভরশীলতা থাকা আবশ্যক কি না—এই সমস্ত যদি