পাতা:মীরকাসিম - অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়.pdf/১৫৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সপ্তদশ পরিচ্ছেদ S 8 9. DDDBDS BBBDBD DBBBD DuDSTDDDBD K DBDBuD DBBD BBB নাই-তথাপি মেজর আদমসকে সসৈন্যে যুদ্ধযাত্ৰা করিতে হইল। যে সকল ইংরাজ বীরপুরুষের নাম জগদ্বিখ্যাত হইয়াছে, তাহারা কেহই এরূপ অসহায় অবস্থায় আত্মবিসর্জনের জন্য আদেশ লাভ করেন নাই । মেজর আদামস এরূপ অবস্থায় পতিত হইয়াও ইতস্ততঃ করিলেন না । সকলেই বুঝিয়াছিলেন মীর কাসিমের সহিত শত্রুতার পরিণাম সর্বনাশ ;-যুদ্ধ ঘোষণা করিলেও যাহা, নীরবে বসিয়া থাকিলেও তাহা। অগত্য। আশা মাত্র সম্বল করিয়াই ইংরাজী সওদাগরকে যুদ্ধ ঘোষণা করিতে হইল । আশা আর কিছু নহে, একমাত্র আশা-মীর জাফর। বঙ্গদেশে মীর জাফরের ন্যায় স্বদেশদ্রোহীর অভাব ছিল না ; মীর জাফরের ন্যায় বিমূঢ়চিত্ত সমাদর-লোলুপ আকৰ্ম্মণ্য জমিদারেরও অভাব ছিল না। মীর জাফরকে কায়ক্লেশে মুরশিদাবাদের মসনদে বসাইয়া দিতে পারিলে, এই সকল গণ্যমান্য বাঙ্গালী তাহার পক্ষাবলম্বন করিবে বলিয়া আশা ছিল। তখন সমগ্ৰ দেশ দুই দলে বিভক্ত হইয়া পড়িবে;-এক দল কাসিম আলির, এক দল মীর জাফরের। ইহার মধ্যে এক দলের নেতা হইয়া ইংরাজ শনৈ: শনৈঃ উদ্দেশ্য সিদ্ধি করিতে পরিবেন। কৰ্ণেল ক্লাইবা এষ্ট নীতির পথ প্ৰদৰ্শন করিবার পর হইতে, ইংরাজবণিক তাতার অমোঘ উপকারের পরিচয় লাভ করিয়া, বিপদে পড়িয়া এই নীতি অবলম্বন করিতেই বাধ্য হইয়াছিলেন । বিদেশে শক্তি-বিস্তার করিবার পক্ষে এই নীতিই অব্যর্থনীতি। ইহা বাঙ্গালার ইতিহাসে পুনঃ পুনঃ প্ৰকাশিত হইয়াছে। ইংরাজবাণিক্‌ বুঝিয়াছিলেন-বাঙ্গাপী মনুষ্যত্বহীন ; তাহারা স্বদেশের সর্বনাশ সাধন করিয়াও আত্মোন্নতি সাধন করিবার জন্য লালায়িত। সুতরাং এই নীতি অবলম্বন করিবার সময়ে ইংরাজকে বিশেষ ইতস্ততঃ করিতে হইল না ।