পাতা:মীরকাসিম - অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়.pdf/১৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ክም भौद्ध कनिष्भ অর্থই একমাত্র পরমার্থ হইয়া উঠিয়াছিল। অর্থেপাৰ্জনের উপায়। উদ্ভাবন করিতে অনেকেরই কিছুমাত্র লজ্জা হইত না । মীর জাফর সিংহাসনে পদাৰ্পণ করিলে, তাহার নানা নিদর্শন প্ৰকাশিত হইয়া পড়িল । মীর জাফরের সঙ্গে যে গুপ্ত সন্ধিপত্র সম্পাদিত হয়, সেই সন্ধিসূত্রে ইংরাজ-কোম্পানী, কোম্পানীর কৰ্ম্মচারী এবং কলিকাতার অধিবাসিগণ, কে কিরূপ পুরস্কার ও ক্ষতিপূরণ প্ৰাপ্ত হইবেন, তাহা যথারীতি নির্দিষ্ট হইয়াছিল। সিরাজদ্দৌলার সতর্ক গুপ্তচরগণ সৰ্ব্বদা চারিদিকে বিচরণ করিত। তজ্জন্য ইংরাজদিগের সঙ্গে মীর জাফরের কথাবাৰ্ত্তা চালাইবার সময়ে ওয়াটস সাহেবের পক্ষে একজন মধ্যস্থ নিয়োগ করিবার প্রয়োজন উপস্থিত হইয়াছিল। বণিক-রাজ উমিচাঁদ সেই মধ্যস্থাপদে নিযুক্ত হইয়াছিলেন। তিনি এদেশের ইতিহাসে ‘ধূৰ্ত্ত উমিচাঁদ” নামে পরিচিত । অধিকতর ধূৰ্ত্ত ইংরাজ-বণিক তাহাকে এই অকীৰ্ত্তিকর উপাধি প্ৰদান করিয়া গিয়াছেন। তঁহার প্রকৃত নাম আমিনচান্দ ; তাহা লোকমুখে আমিৰ্চাদ, উমিচান্দ, আমিরচাদ, উমাচরণ ইত্যাদি নানা রূপান্তর প্রাপ্ত হইয়াছিল। আমিনচান্দ বাঙ্গালা-বিহারের বাণিজ্যাধিপতি হইয়া, বিদ্যাবুদ্ধি ও অর্থবলে ইংরাজ-দরবারে এবং নবাব-দরবারে সম্মানের পাত্ৰ বলিয়া পরিচিত ছিলেন। তিনি ইংরাজিদিগের পৃষ্ঠরক্ষক হইয়া দেশের লোকের সঙ্গে তঁহাদের বাণিজ্যসম্বন্ধ সংস্থাপিত করিয়া দিয়াছিলেন ; তঁহার যোগেই ইংরাজের ‘দাদনের” ব্যবসায়ের শ্ৰীবৃদ্ধি করিয়াছিলেন ; কিন্তু লাভের অংশ লইয়া মনোমালিন্য উপস্থিত হইলে, আমিনচান্দ নবাব-দরবারের সহিত অধিকতর ঘনিষ্ঠতা opa লক্ষন- ۔۔۔۔۔۔۔۔۔۔۔۔ They seem to have thought principally, if not solely, of the means of amassing fortunes, and to have acted as though they were in India for no other purpose-Thornton, Vol. I. 252.