পাতা:মীরকাসিম - অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়.pdf/১৮০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


So भौद्ध कानिभ পার্শ্বে সংস্থাপিত করিয়া, সেকালের সুপরিচিত সমরপ্রণালীতে বৃহরচনা করিলেন। ২রা আগষ্ট প্ৰত্যুষে উভয়পক্ষের কামানগর্জনে যুদ্ধঘোষণার সুত্রপাত হইল। তাহাতে কোন পক্ষেরই বিশেষ ক্ষতি হাহঁত KSSYYuD0 DBBD DBLLDDOL KBDD BBBBD KBBS DS DDD প্ৰভাতের কামানগর্জনের সঙ্গে সঙ্গে উভয় পক্ষই সম্মুখে অগ্রসর গুইয়া, পরস্পরের নিকটবৰ্ত্তী হইয়া পড়িল। তখন যথারীতি যুদ্ধ আরম্ভ হইল। এই যুদ্ধের বিস্তৃত বিবরণ “মুস্তক্ষরীণ” ও অন্যান্য গ্রন্থে উল্লিখিত হইয়াছে। সমস্ত গ্ৰন্থ একত্র সমালোচনা করিলে দেখিতে পাওয়া যায়- এই যুদ্ধে মীর কাসিমের মুসলমান-সেনানায়কগণ রণাপাণ্ডিত্যের পরাকাষ্ঠ প্ৰদৰ্শন করিযাছিলেন ; মার্কার এবং সমরু সেরূপ রণপাণ্ডিত্যের পরিচয় প্ৰদান করিতে পারেন নাই । মীর আসাদ্দৌলার অশ্বারোহিগণ মীর বদরুদ্দীন নামক একজন সেনানায়ক ছিলেন । র্তাহার শৌৰ্য্যবীৰ্য্য ইংরাজিদিগকে ব্যতিব্যস্ত করিয়া তুলিল। তিনি ইংরাজিবুহের বামপার্শ্ব ভেদ করিয়া, কাপ্তান ষ্টিবার্টের সেনাদলের উপর বিদ্যুতবেগে আপতিত হইয়া, অধিকাংশ ইংরাজসেনাকে ভূপতিত করিলেন। কাপ্তান সাহেবের সেনাদল যায় যায় হইয়া উঠিল। তাহারা অনন্তোপাযি হইয়া, বঁাশলীর জলে ঝাপাইয়া পড়িতে লাগিল ; অনেকে জলমগ্ন হইয়া প্ৰাণত্যাগ করিল। মেজর কাৰ্ণােক সাহায্যার্থে উপনীত না হইলে, কাপ্তান ষ্টিবার্টের সেনাদলের একজনও জীবিত থাকিত না । কিন্তু তাহাতেও ইংরাজসেনার পরাজয়ের গতিরোধের সম্ভাবনা ছিল না। বদরুদ্দীন পশ্চাতে, মীর নাসির সম্মুখে-উভয়দিক হইতে উভয় মুসলমান বীর এরূপ প্ৰবল প্ৰতাপে ইংরাজ বুহের বামপার্শ্ব ছিন্ন ভিন্ন করিতে লাগিলেন যে, ইংরাজসেনা শক্রিহস্তে দুইটি কামান সমৰ্পণ করিয়া পলায়নপর হইল। এই সময়ে সের আলী খাঁ প্ৰবলবেগে ইংরাজিবুহের দক্ষিণপার্শ্ব আক্রমণ করিলেই