পাতা:মীরকাসিম - অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়.pdf/২৪৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মীর কাসিমের শেষজীবন শ্ৰীব্ৰজেন্দ্ৰনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার নবাবি হইতে বিতাড়িত মীর কাসিমের শেষজীবন কি ভাবে কাটে, ইতিহাস এত দিন সে-বিষয়ে একপ্রকার নীরব ছিল । পরলোকগত অক্ষয়কুমার মৈত্ৰেয় মহাশয়ের গ্ৰন্থ বাংলা-পাঠকদের পক্ষে মীর কাসিমের ইতিহাস সম্বন্ধে নানা তথ্যের আকর। গ্ৰন্থশেষে তিনি বলিয়াছেন,-“মীর কাসিমের কি হইল ? সে করুণ কাহিনী বর্ণনা করিবার উপযুক্ত ঐতিহাসিক বিবরণ সংগ্ৰহ করিবার উপায় নাই।” সৌভাগ্যের বিষয়, এ অসুবিধা দূর হইয়াছে, ভারত-গভর্মেন্টের দপ্তরখানার ফাসী-বিভাগে রক্ষিত কতকগুলি কাগজপত্রের সাহায্যে মীর কাসিমের শেষজীবনের ইতিহাস অনেকটা জানা যায়। ১৭৬০ সালে কলিকাতার ইংরেজ গভৰ্মেন্টের মন্ত্রণা-পরিষদ, দুর্বল এবং অব্যবস্থিতচিত্ত মীর জাফরকে মসনদচ্যুত করিয়া তাহার জামাতা মীর কাসিমকে বাংলার নবাব-পদে অভিষিক্ত করিলেন । মীর কাসিমের কাৰ্য্যক্ষমতা সম্বন্ধে পরিষদ উচ্চ ধারণা পোষণ করিতেন। নূতন নবাব DD DDD DBBB gDS uuB BB BDBBDB S BDBD BDB DDD পরেই কলিকাতার মন্ত্রণা-পরিষদের অনেক সদস্য র্তাহার উপর চটিয়া গেলেন । ইহার কারণও ছিল । কোম্পানীর কৰ্ম্মচারীদের বেতন DDBBDt DBD DBDBBD BB D KD DD EESDS BBB BBDD বাণিজ্যের দ্বারা অর্থে পাৰ্জন করিয়া বড়লোক হইতেন । তঁহারা নিজেদের বিনা শুন্ধে অন্তর্বাণিজ্য করিবার অধিকার আছে দাবি করিয়া নূতন নবাবের নিকট জেদ করিতে লাগিলেন। ইহা অন্যায় দাবি, কেননা