পথ আমারে সেই দেখাবে
যে আমারে চায়—
আমি অভয়মনে ছাড়ব তরী
এই শুধু মোর দায়।
দিন ফুরোলে জানি জানি
পৌঁছে ঘাটে দেব আনি
আমার দুঃখদিনের রক্তকমল
তোমার করুণ পায়ে।
শিবতরাইয়ের একদল
প্রজার প্রবেশ
ধনঞ্জয়। একেবারে মুখ চুন যে! কেন রে কী হয়েছে?
১। প্রভু, রাজশ্যালক চণ্ডপালের মার তো সহ্য হয় না। সে আমাদের যুবরাজকেই মানে না, সেইটেতেই আরো অসহ্য হয়।
ধনঞ্জয়। ওরে, আজও মারকে জিততে পারলি নে? আজও লাগে?
২। রাজার দেউড়িতে ধরে নিয়ে মার! বড়ো অপমান!
ধনঞ্জয়। তোদের মানকে নিজের কাছে রাখিস নে; ভিতরে য়ে ঠাকুরটি আছেন তাঁরই পায়ের কাছে রেখে আয়, সেখানে অপমান পৌঁছবে না।
গণেশ সর্দারের প্রবেশ
গণেশ। আর সহ্য হয় না, হাত দুটো নিশ্পিশ্ করছে।
ধনঞ্জয়। তাহলে হাত দুটো বেহাত হয়েছে বল্।
গণেশ। ঠাকুর, একবার হুকুম করো ওই ষণ্ডামার্কা চণ্ডপালের দণ্ডটা খসিয়ে নিয়ে মার কাকে বলে একবার দেখিয়ে দিই।
৩৭