পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অষ্টম খণ্ড) - সুলভ বিশ্বভারতী.pdf/১১৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


इतदेोहीन-ड्राञ्ब्ान्तर्वनो কতদিন আমি দেখেছি গোধুলিকালে সোনালি ছায়ার পরশ লেগেছে ভালে, সন্ধ্যাবায়ুর মৃদু-কাপনের তালে কী যেন ছন্দ শোনে । গহন নিশীথে বিচিত্র যখন ডাকে, দেখেছি। চাহিয়া জড়িত ডালের ইফাকে কালপুরুষের ইঙ্গিত যেন কাকে দুর দিগন্তকোণে । ’ শ্রাবণে সঘন ধারা করে বারবার, পাতায় পাতায় কেঁপে ওঠে থারথার, মনে হয় ওর হিয়া যেন ভারভার বিশ্বের বেদনাতে । কতবার ওর মৰ্মে গিয়েছি চলি, বুঝিতে পেরেছি। কেন উঠে চঞ্চলি, শরৎশিশিরে যখন সে কলমলি শিহারায় পাতে পাতে । ভুবনে ভুবনে যে প্ৰাণ সীমানাহারা গগনে গগনে সিঞ্চিল গ্ৰহতারা মজায় লিহে ভরি । কী নিবিড় যোগ এই বাতাসের সনে, যেন সে পরশ পায় জননীর স্তনে, সে পুলকখানি কত-যে, সে মোর মনে বুঝিবে কেমন করি । ঋতুর হাতের মায়ামন্ত্রের টানে কী-যে বাণী আছে প্ৰাণে প্ৰাণে ওই জানে, মন তা জানিবে কিসে । যে ইন্দ্ৰজাল দ্যুলোকে ভুলোকে ছাওয়া, বুকের ভিতর লাগে ওর। তারি। হাওয়াবুঝিতে যে চাই কেমন সে ওর পাওয়া, চেয়ে থাকি অনিমিষে । ফুলের গুচ্ছে আজি ও উচ্ছসিত, নিখিলবাণীর রসের পর শামূত গোপনে গোপনে পেয়েছে অপরিমিত, ধরিতে না পারে তারে ।