পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অষ্টম খণ্ড) - সুলভ বিশ্বভারতী.pdf/১৩০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


2 ܠ ܠ द्रदी-विष्कान्पावर्दी দিয়েছ সাহস, তাই তব নীলবর্ণে বর্ণ মিলায় আপন হরিৎপৰ্ণে । তরুতরুণেরে করুণায় করো ধন্য, দেবতার স্নেহ পায় যেন এই বন্য । २ाक्रनिक প্ৰাণের পাথেয়। তব পূর্ণ হােক হে শিশু চিরায়ু, বিশ্বের প্রসাদম্পর্শে শক্তি দিক সুবাসিক্ত বায়ু । হে বালকবৃক্ষ, তব উজ্জ্বল কোমল কিশলয় আলোক করিয়া পান ভাণ্ডারেতে করুক সঞ্চয় প্ৰচ্ছন্ন প্ৰশান্ত তেজ । লয়ে তব কল্যাণকামনা শ্রাবণবৰ্ষণ যজ্ঞে তোমারে করিনু অভ্যর্থনা - থাকো প্রতিবেশী হয়ে, আমাদের বন্ধু হয়ে থাকো । মোদের প্রাঙ্গণে ফেলো ছায়া, পথের কঙ্কর ঢাকো কুসুমাবর্ষণে ; আমাদের বৈতালিক বিহঙ্গমে শাখায় আশ্রয় দিয়ে ; বর্ষে বর্ষে পুষ্পিত উদ্যমে অভিনন্দনের গন্ধ মিলাইয়ো বর্ষগীতিকায় সন্ধ্যাবন্দনার গানে । মোদের নিকুঞ্জাবীথিকায় মাজুল মর্মরে তব ধরিত্রীর অন্তঃপুর হতে প্ৰাণমাতৃকার মন্ত্র উচ্ছসিবে সূর্যের আলোতে । শত বর্ষ হবে। গীত, রেখে যাব আমাদের শ্ৰীতি শ্যামল লাবণ্যে তব। সে যুগের নূতন অতিথি বসিবে তোমার ছায়ে । সেদিন বৰ্ষণমহোৎসবে আমাদের নিমন্ত্রণ পাঠাইয়ো তোমার সীেরাভে দিকে দিকে বিশ্বজনে । আজি এই আনন্দের দিন তোমার পল্লবপুঞ্জে পুষ্পে তব হোক মৃত্যুহীন । রবীন্দ্রের কণ্ঠ হতে এ সংগীত তোমার মঙ্গলে মিলিল মেঘের মন্দ্ৰে, মিলিল কদম্বপরিমলে ।