পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অষ্টম খণ্ড) - সুলভ বিশ্বভারতী.pdf/২৭৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


SqGttr রবীন্দ্ৰ-রচনাবলী ভারি মজা, কী করে মরে সেই মন্ত কথাটা । সাথিকে লোভ দেখিয়ে বলে, “একবার দেখ-না ডুবে, কোমরে দড়ি বেঁধে, আবার তুলব। টেনে ৷” ভারি ইচ্ছা করে জানতে ওর কেমন লাগে । সাথি রাজি হয় না ; ও রেগে বলে, “ভীতু, ভীতু, ভীতু কোথাকার ।” বক্সিদের ফলের বাগান, সেখানে লুকিয়ে যায় জন্তুর মতো । মারি খেয়েছে বিস্তর, জাম খেয়েছে আরো অনেক বেশি । বাড়ির লোকে বলে, “লজা করে না বাদার ?” (८द5न्म ढ1es । বক্সিদের খোড়া ছেলে তো ঠেঙিয়ে ঠেঙিয়ে ফল পাড়ে, 26छ: 7ाव्न यश 0ख्C७, ফল যায় দলে ढनख्ध द०४६ क्रा ? একদিন পাকড়াশিদের মেজো ছেলে একটা বঁকাচ-পরানো চোঙ নিয়ে ওকে বললে, “দেখ না ভিতর বাগে৷ ” দেখল, নানা রঙ সাজানো, নাড়া দিলেই নতুন হয়ে ওঠে । বললে, “দে-না ভাই, আমাকে । তোকে দেব আমার ঘষা ঝিনুক বঁকাচা আমি ছাড়াবি মজা করে আর দেব আমের কষির বঁাশি ।” দিল না। ওকে । কাজেই চুরি করে আনতে হল । ওর লোভ নেইও কিছু রাখতে চায় না, শুধু দেখতে চায় কী আছে ভিতরে । খোদন দাদা কানে মোচড় দিতে দিতে বললে, ‘চুরি করলি কেন ।” লক্ষ্মীছাড়াটা জবাব করলে,

  • G ८ब् व्नि बां [* যেন চুরির আসল দায় পাকড়াশিদের ছেলের ।

ভয় নেই ঘূণা নেই। ওর দেহটাতে । কোলাব্যাঙ তুলে ধরে খপ করে, বাগানে আছে খোটা পোতার এক গর্ত,