পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অষ্টম খণ্ড) - সুলভ বিশ্বভারতী.pdf/৩৪৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পুনশ্চ পাঠিয়ে দিলে সাত-সমুদ্র-পারে রূপকথার দেশে । সেখানকার পথ কোন দিকে । , আরো এক রাত যায় । কৃষ্ণপক্ষের চাদ ডুবেছে অমাবস্যার তলায় । আঁধারের ডাক কী গভীর । পথ-না-জানা যত-সব গুহা-গহবর মনের মধ্যে প্রচ্ছন্ন, এই ডাক সেখানে গিয়ে প্ৰতিধ্বনি জাগায় । সেই অস্ফুট আকাশবাণীর সঙ্গে মিলে ওই যে বাজে বীণায় কানাড়া । রাজমহিষী উঠে দাড়িয়ে বললে, ‘আজ আমি যাব । আমার চোখকে আমি আর ভয় করি নে ৷” পথের শুকনো পাতা পায়ে পায়ে বাজিয়ে দিয়ে সে গেল পুরাতন অশথ গাছের তলায় । दीeों थीभक्त । মহিষী। থমকে দাড়ালো । রাজা বললে, “ভয় কোরো না প্ৰিয়ে, ভয় কোরো না ।” তার গলার স্বর জলে-ভরা মেঘের দূর গুরু-গুরু ধ্বনির মতো । “আমার কিছু ভয় নেই, তোমারই জয় হল ।” এই বলে মহিষী আঁচলের আড়াল থেকে প্ৰদীপ বের করলে, ধীরে ধীরে তুললে রাজার মুখের কাছে। কণ্ঠ দিয়ে কথা বেরোতে চায় না, পলক পড়ে না চোখে । এ কী সুন্দর রূপ তোমার ।” পৌষ ১৩৩৮ छू, नN3-=ा छूb, কেমন করে বুঝিয়ে বলি কোনখানে । যেখানে ওই শিরীষ-বনের গন্ধপথে মৌমাছিদের কঁাপিছে ডানা সারাবেলা । যেখানেতে মেঘ-ভাসা ওই সুদূরতা, জলের প্ৰিলাপ, যেখানে প্ৰাণ উদাস করে সন্ধ্যাতারা ওঠার মুখে, GRINGIN JAK S A CRA শূন্য ঘরে অতীত স্মৃতি গুনগুনিয়ে ঘুম ভাঙিয়ে রাখে না। আর বাদলারাতে । যেখানে এই মন গোরুচরা মাঠের মধ্যে স্তৱন্ধ বটের মতো গায়ে-চলা পথের পাশে । N9 SRS)