পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অষ্টম খণ্ড) - সুলভ বিশ্বভারতী.pdf/৪১৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Soo রবীন্দ্র-রচনাবলী নৃপবালা ও নীরবালার প্রবেশ নৃপ শান্ত স্নিগ্ধ, নীর তাহার বিপরীত- কৌতুকে এবং চাঞ্চল্যে সে সর্বদাই আন্দোলিত নীরবালা । (শৈলকে জড়াইয়া ধরিয়া) মেজদিদিভাই, আজ কারা আসবে বলা তো । নৃপবালা । মুখুজ্জেমশায়, আজ কি তোমার বন্ধুদের নিমন্ত্রণ আছে। জলখাবারের আয়োজন হচ্ছে কেন । অক্ষয় । ঐ তো ! বই পড়ে পড়ে চোখ কানা করলে- পৃথিবীর আকর্ষণে উল্কাপাত কী করে ঘটে সে-সমস্ত লাখ-দুলাখ ক্রোশের খবর রাখ, আর আজ ১৮ নম্বর মধুমিস্ত্রির গলিতে কার আকর্ষণে কে এসে পড়ছে সেটা অনুমান করতেও পারলে না ? নীরবালা । বুঝেছি ভাই সেজদিদি । তোর বর আসছে ভাই, তাই সকালবেলা আমার বা চোখ নাচছিল। নৃপবালা । তোর বা চােখ নাচলে আমার বর আসবে কেন । নীরবালা । তা ভাই, আমার বা চোখটা নাহয় তোর বরের জন্যে নোচে নিলে, তাতে আমি দুঃখিত নই। কিন্তু মুখুজ্জেমশায়, জলখাবার তো দুটি লোকের জন্যে দেখলুম, সেজদিদি কি স্বয়ম্বরা হবে নাকি । অক্ষয় । আমাদের ছোড়দিদিও বঞ্চিত হবেন না । । নীরবালা । আহা মুখুজেমশায়, কী সুসংবাদ শোনালে । তোমাকে কী বকশিশ দেব। এই নাও আমার গলার হার, আমার দু হাতের বালা । শৈলবালা । আঃ ছি, হাত খালি করিস নে । নীরবালা । আজ আমাদের বরের অনারে পড়ার ছুটি দিতে হবে মুখুজেমশায় । নৃপবালা। আঃ, কী বর বর করছিস । দেখো তো ভাই মেজদিদি। অক্ষয় । ওকে ঐজন্যেই তো বর্বরা নাম দিয়েছি । অয়ি বর্বরে, ভগবান তোমাদের কটি সহােদরাকে এই একটি অক্ষয় বর দিয়ে রেখেছেন, তবু তৃপ্তি নেই ? নীরবালা । সেইজন্যেই তো লোভ। বেড়ে গেছে । নৃপ তাহাকে টানিয়া লইয়া চলিল ভুভুতি) এলে থর দিয়ে মুখুজেলায়, ফাঁকি দিয়ে না। বেন্ধ তাে মেজদিদি কিরকম চঞ্চল হয়ে |- 5R না বলে যায় পাছে সে আঁখি মোর ঘুম না জানে । অক্ষয় । ভয় নেই, ভয় নেই। একটা যায় তো আর-একটা আসবে। যে বিধাতা আগুন সৃষ্টি করেছেন পতঙ্গও তিনিই জুটিয়ে দেবেন। এখন গানটা চলুক। নীরবালা - কাছে তার রই, তবুও ব্যথা যে রায় পর্যানে । অক্ষয়। নীরু, এটা তো আগন্তুকদের লক্ষ্য করে তৈরি হয় নি। কাছের মানুষটি কে বলে তো । নীরবালা - যে পথিক পথের ভুলে এল মোর প্রাণের কুলে •lछ उद्ध फूल (छ७ यांश চলে যায় কোন উজানে, আঁখি মোর ঘুম না জানে। অক্ষয় । এ তো আমার সঙ্গে মিলছে। কিন্তু ভাই, জেনেশুনেই পথ ভুলেছি, সুতরাং সে ভুল ভাঙবার द्रलुठ दूथि नि |