পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অষ্টম খণ্ড) - সুলভ বিশ্বভারতী.pdf/৪১৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চিরকুমার-সভা 8○> নীরবালা - এল যেই এল আমার আগল টুটে, খোলা দ্বার দিয়ে আবার যাবে ছুটে । খেয়ালের হাওয়া লেগে যে খেপা ওঠে। জেগে সে কি আর সেই অবেলায় মিনতির বাধা মানে । আঁখি মোর ঘুম না জানে । 하F V - न्II, कों (2ों, न्भों 656 क्रा 7<न्म- যদি বা নিশি যায় যাব না, যাব না । যখনই চলে যাই আসিব বলে যাই, আলো ছায়ার পথে করি আনাগোনা । দোলাতে দোলে মন মিলনে বিরহে । বারে বারেই জানি তুমি তো চির হে। ক্ষণিক আড়ালে বারেক দাড়ালে মারি ভয়ে ভয়ে পাব কি পাব না । নীরবালা । বড়ো নিশ্চিন্ত হলুম। তা হলে ঘুমোতে পারি। অক্ষয় । নিৰ্ভয়ে । [নুপবালা ও নীরবালার প্রস্থান শৈলবালা । মুখুজেমশায়, আমি ঠাট্টা করছি নে- আমি চিরকুমার-সভার সভ্য হব। কিন্তু আমার সঙ্গে পরিচিত একজন কাউকে চাই তো । তোমার বুঝি আর সভ্য হবার জো নেই ? অক্ষয় । না, আমি পাপ করেছি। তোমার দিদি আমার তপস্যা ভঙ্গ করে আমাকে স্বৰ্গ হতে বঞ্চিত <द्रCछन्म ! শৈলবালা । তা হলে রসিকদাদাকে ধরতে হচ্ছে । তিনি তো কোনো সভার সভ্য না হয়েও চিরকুমার-ব্ৰত রক্ষা করেছেন । অক্ষয় । সভ্য হলেই এই বুড়োবয়সে ব্ৰতটি খোয়াবেন । ইলিশমাছ আমনি দিব্যি থাকে, ধরলেই মারা রাসিকের প্রবেশ রসিকদাদার সম্মুখের মাথায় টাক, গোফ পাকা, গীেরবর্ণ, দীর্ঘকৃতি অক্ষয় । ওরে পাষণ্ড, ভণ্ড, অকালকুষ্মাণ্ড । রসিক । কেন হে মত্তমন্থর কুঞ্জকুঞ্জর পুঞ্জ অঞ্জনবর্ণ। অক্ষয় । তুমি আমার শ্যালী-পুষ্পবনে দাবানল আনতে চাও ? শৈলবালা । রসিকদাদা, তোমারই বা তাতে কী লাভ । রসিক । ভাই, সইতে পারলুম না, কী করি। বছরে বছরেই তোর বোনদের বয়স বাড়ছে, বড়োমা আমারই দোষ দেন কেন । বলেন দুবেলা বসে বসে কেবল খােচ্ছ, মেয়েদের জন্যে দুটাে বর দেখে দিতে