প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (ষোড়শ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/১৬১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চিরকুমার-সভা ১৫৩ না, কিন্তু শেষকালে এমনি হল যে মনে হ’ত শ্ৰীকৃষ্ণের ষোলো-শো গোপিনী যদি বা সম্প্রতি দুষ্প্রাপ্য হন অন্তত মহাকালীর চৌষটি হাজার যোগিনীর সন্ধান পেলেও একবার পেট ভরে প্রেমালাপট করে নিই— ঠিক সেই সময়টাতেই তোমার সঙ্গে সাক্ষাৎ হল আর-কি । পুরবালা। চৌষট্টি হাজারের শখ মিটল ? অক্ষয়। সে আর তোমার মুখের সামনে বলব না। জাক হবে। তবে ইশারায় বলতে পারি, মা কালী দয়া করেছেন বটে। পুরবালা । তবে আমিও বলি, বাবা ভোলানাথের নন্দীভৃঙ্গীর অভাব ছিল না, আমাকে বুঝি তিনি দয়া করেছিলেন। অক্ষয় । তা হতে পারে, সেইজন্যেই কীর্তিকটি পেয়েছ । পুরবালা । আবার ঠাট্ট শুরু হল ? অক্ষয়। কার্তিকের কথাটা বুঝি ঠাট্টা ? গা ছুয়ে বলছি, ওটা আমার অস্তরের বিশ্বাস। শৈলবালার প্রবেশ শৈলবালা। মুখুজ্জেমশায়, এইবার তোমার ছোটো দুটি খালীকে রক্ষা করে । অক্ষয় । যদি অরক্ষণীয়া হয়ে থাকেন তো আমি আছি । ব্যাপারটা কী । শৈলবালা । মার কাছে তাড়া খেয়ে রসিকদাদ কোথা থেকে একজোড়া কুলীনের ছেলে এনে হাজির করেছেন, মা স্থির করেছেন তাদের সঙ্গেই র্তার দুই মেয়ের বিবাহ দেবেন । অক্ষয় ওরে বাস রে । একেবারে বিয়ের এপিডেমিক । প্লেগের মতো । এক বাড়িতে একসঙ্গে দুই কন্যেকে আক্রমণ । ভয় হয় পাছে আমাকেও ধরে । গান বড়ো থাকি কাছাকাছি, তাই ভয়ে ভয়ে আছি । নয়ন বচন কোথায় কথন বাজিলে র্বাচি না-বাচি । শৈলবালা । এই কি তোমার গান গাবার সময় হল । р অক্ষয়। কী করব ভাই। রোশনচোঁকি বাজাতে শিখি নি, তা হলে ধরতুম। বল কী । শুভকর্ম ! দুই শু্যালীর উদবাহবন্ধন ! কিন্তু এত তাড়াতাড়ি কেন । শৈলবালা । বৈশাখ মাসের পর আসছে বছরে অকাল পড়বে, আর বিয়ের দিন নেই। পুরবালা । তোরা আগে থাকতে ভাবিস কেন শৈল, পাত্র আগে দেখা যাক তো । داد اما در