প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (ষোড়শ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/২২৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


* २२ () রবীন্দ্র-রচনাবলী বেশ বুঝতে পারছ, কী বল মুখুজ্জেমশায়। দেবতার ধ্যান কর আর উপদেবতার উপদ্রব হয় – গণন ও আমার ধ্যানেরই ধন, তোমায় হৃদয়ে দোলায় যে হাসি রোদন । আসে বসন্ত, ফোটে বকুল, কুঞ্জে পূর্ণিমা-চাদ হেসে আকুল— তারা তোমায় খুজে না পায়, প্রাণের মাঝে আছ গোপন স্বপন । অক্ষয় । সংগ্রহ হল কোথা থেকে । নীরবালা । তোমারই শ্ৰীমুখ থেকে। অক্ষয় । অবশেষে বিরহের দিনে আমারই ঐবক্ষে হানতে এসেছিস । আচ্ছা, তা হলে দয়া করিস নে, একেবারে শেষ করে দে । নীরবালা — আঁখিরে ফাকি দাও একি ধারা— অশ্রুজলে তারে কর সারা । গন্ধ আসে, কেন দেখি নে মালা । পায়ের ধ্বনি শুনি, পথ নিরালা । বেলা যে যায়, ফুল যে শুকায়— অনাথ হয়ে আছে আমার ভূবন । নেপথ্যে। অবলাকাস্তবাবু আছেন ? সহসা ঐশের প্রবেশ 'মাপ করবেন বলিয়। পলায়নোদ্যম । নৃপ ও নীরর সবেগে প্রস্থান অক্ষয়। এসে এসে শ্ৰীশবাবু। শ্ৰীশ । ( সলজ্জভাবে ) মাপ করবেন । অক্ষয়। রাজি আছি, কিন্তু অপরাধটা কী আগে বলে । শ্ৰীশ । খবর না দিয়েই— অক্ষয় । তোমার অভ্যর্থনার জন্য মুনিসিপালিটির কাছ থেকে যখন বাজেট স্তাংশন করে নিতে হয় না তখন নাহয় খবর না দিয়েই এলে শ্ৰীশবাবু। শ্ৰীশ । আপনি যদি বলেন এখানে আমার অসময়ে অনধিকার প্রবেশ হয় নি, তা হলেই হল। +