প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (ষোড়শ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/২৮৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রবীন্দ্র-রচনাবলী عواsh কাজলবিহীন সজল নয়নে হৃদয়দুয়ারে ঘা দিয়ে । আকুল আঁচলে পথিকচরণে মরণের ফাদ ফাদিয়ো । না করিয়া বাদ মনে যাহা সাধ নিদয়া নীরবে সাধিয়ো । পুরবালা। তুমি আবার গান ধরলে ! আমি কখন কী করি বলে দেখি। তাদের আসবার সময় হল— এখনো আমার খাবার তৈরি করা বাকি আছে। [ নৃপবালা ও নীরবালাকে লইয়া প্রস্থান রসিকের প্রবেশ অক্ষয় । পিতামহ ভীষ্ম, যুদ্ধের সমস্তই প্রস্তুত ? রসিক । সমস্তই। বীরপুরুষ দুটিও সমাগত। অক্ষয়। এখন কেবল দিব্যাস্ত্ৰ-দুটি সাজতে গেছেন। তুমি তা হলে সেনাপতির ভার গ্রহণ করে, আমি একটু অন্তরালে থাকতে ইচ্ছা করি । রসিক। আমিও প্রথমটা একটু আড়াল হই । [ রসিক ও অক্ষয়ের প্রস্থান শ্রীশ ও বিপিনের প্রবেশ ঐশ। বিপিন, তুমি তো আজকাল সংগীতবিদ্যার উপর চীৎকারশৰে ডাকাতি আরম্ভ করেছ— কিছু আদায় করতে পারলে ? 聯 বিপিন। কিছু না । সংগীতবিদ্যার দ্বারে সপ্তস্থর অনবরত পাহারা দিচ্ছে, সেখানে কি আমার ঢোকবার জো আছে। কিন্তু এ প্রশ্ন কেন তোমার মনে উদয় হল । শ্ৰীশ । আজকাল মাঝে মাঝে কবিতায় মুর বসাতে ইচ্ছে করে। সেদিন বইয়ে পড়ছিলুম— কেন সারা দিন ধীরে ধীরে বালু নিয়ে শুধু খেল তীরে। চলে যায় বেলা, রেখে মিছে খেলা বীপ দিয়ে পড়ো কালে নীরে । অকুল ছানিয়ে যা পাস তা নিয়ে হেলে কেঁদে চলে। ঘরে ফিরে । * ịg —মনে হচ্ছিল এর স্বরটা যেন জানি, কিন্তু গাবার জো নেই।