প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (ষোড়শ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/২৯০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


રર রবীন্দ্র-রচনাবলী রসিক । (ঐশ ও বিপিনের প্রতি) এরা বলছেন– । সখা, কী মোর করমে লেখি— তাপন বলিয়া তপনে ডরিস্তু, চাদের কিরণ দেখি । –এর উপরে আপনাদের আর কিছু বলবার আছে ? নীরবালা । ( জনাস্তিকে ) আঃ রসিকদাদা, কী বলছ তার ঠিক নেই। ও কথা আমরা কথন বললুম। রসিক । ( শ্ৰীশ ও বিপিনের প্রতি ) এদের মনের ভাবটা আমি সম্পূর্ণ ব্যক্ত করতে পারি নি বলে এরা আমাকে ভংর্সনা করছেন। এরা বলতে চান চাদের কিরণ বললেও যথেষ্ট বলা হয় না— তার চেয়ে আরও যদি– নীরবালা। (জনাস্তিকে ) তুমি অমন কর যদি তা হলে আমরা চলে যাব। রসিক। সখি, ন যুক্তম অকৃতসংকারম্ অতিথিবিশেষম উজঝিত্ব স্বচ্ছন্দতো গমনম্। (খ্রশ ও বিপিনের প্রতি) এরা বলছেন এদের যথার্থ মনের ভাবটি যদি আপনাদের কাছে ব্যক্ত করে বলি, তা হলে এরা লজ্জায় এ ঘর থেকে চলে যাবেন । [ নীরবালা ও নৃপবালার প্রস্থানোস্থ্যম শ্ৰীশ। রসিকবাবুর অপরাধে আপনারা নির্দোষদের সাজা দেবেন কেন। আমরা তো কোনোপ্রকার প্রগলভত করি নি। मृश्रृंदांला ७ नौब्रवीलांद्र न षण्यो म उन्हो' छांद বিপিন । ( নীরকে লক্ষ্য করিয়া ) পূর্বকৃত কোনো অপরাধ যদি থাকে তো ক্ষমাপ্রার্থনার অবকাশ কি দেবেন না । রসিক । ( জনাস্তিকে ) এই ক্ষমাটুকুর জন্যে বেচারা অনেক দিন থেকে সুযোগ প্রত্যাশা করছে। wo নীরবালা । ( জনাস্তিকে ) অপরাধ কী হয়েছে যে ক্ষমা করতে যাব । রসিক । ( বিপিনের প্রতি ) ইনি বলছেন আপনার অপরাধ এমন মনোহর যে তাকে ইনি অপরাধ বলে লক্ষ্যই করেন নি। কিন্তু, আমি যদি সেই খাতাটি হরণ করতে সাহসী হতেম তবে সেটা অপরাধ হত— আইনের বিশেষ ধারায় এই রকম লিখছে। বিপিন। ঈর্ষা করবেন না রসিকবাৰু। আপনার সর্বদাই অপরাধ করবার সুযোগ পান এবং সেজন্যে দণ্ডভোগ করে কৃতাৰ্থ হন। আমি দৈবক্রমে একটা অপরাধ