পাতা:রাজা ও রাণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১২৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পঞ্চম অঙ্ক > &> ১ । যেন একজন মহাপুরুষ ঐ জল থেকে উঠে আমাকে তিনটে বড় বড় বেল দিতে এল। আমি দুটাে দুহাতে নিলুম,—আর একটা কোথায় নেব? ভাবনা পড়ে গেল । ২। দূর মূর্থ, তিনটেই চাদরে বেঁধে নিতে হয়। ১। আরে জেগে থাকলে ত সকলেরই বুদ্ধি জোগায়—সে সময়ে তুই কোথায় ছিলি ? তা’র পব শোননা ; সেই বাকি বেলটা মাটিতে পড়েই গড়াতে আরম্ভ করলে, আমি তা’র পিছন পিছন ছুটুলুম। হঠাৎ দেখি যুবরাজ অশথতলায় বসে’ আহ্নিক করচেন। বেলটা ধপ করে তার কোলেব উপরে গিয়ে লাফিয়ে উঠল। আমার ঘুম ভেঙে গেল । ২ । এটা আর বুঝতে পারলিনে। যুবরাজ শীগগির রাজা হবে। ১ । আমিও তাই ঠাট্টরেছিলুম। কিন্তু আমি যে দুটো বেল পেলুম আমার কি হবে ? ২ । তোর আবার হবে কি ? তোর ক্ষেতে বেগুন বেশি করে? ফলবে। ১। না ভাই আমি ঠাউরে রেখেছি আমার দুই পুস্তুর সন্তান হবে। ২ । হা দ্যাখ ভাই, বল্লে পিত্তয় যাবিনে, কাল ভারি আশ্চৰ্য্য কাও হ’য়ে গেছে। ঐ জলের ধারে বসে’ বামচবণে অামাতে চিড়ে ভিজিয়ে খাচ্ছিলুম, তা আমি কথায় কথায় বলুম আমাদের দোবেজ গুণে বলেছে যুবরাজের ফাড়া প্রায় কেটে এসেছে। আর দেরি নেই। এবার শীগগির রাজা হবে। হঠাৎ মাথার উপরে কে তিনবার বলে উঠল “ঠিক্ ঠক্ ঠক্‌”,—উপরে চেয়ে দেখি, ডুমুরের ডালে এত বড় একটা টিকৃটিকি ! রামচরণের প্রবেশ ১ । কি খবর রামচরণ ?