পাতা:রাজা ও রাণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রথম অঙ্ক לצ শ্ৰীহর। কিন্তু কেবল শাস্তর বল্পে ত চলবে না—আমার ঘানির কথাটা কখন আসবে ? অম্নি ঐ সঙ্গে জুড়ে দিলে হয় না ? নন্দ। বেটা তুমি ঘানির সঙ্গে শাস্তর জুড়বে ? এ কি তোমার গোরু পেয়েছ ? জওহব তাতি। কলুব ছেলে, ওর আর কত বুদ্ধি হবে ? কুঞ্জব । দু ঘা না পিঠে পড়লে ওর শিক্ষা হবে না। কিন্তু আমার কথাটা কখন পাড়বে ? মনে থাকবে ত? আমার নাম কুঞ্জরলাল। কাঞ্জিলাল নয়—সে আমার ভাইপে, সে বুধকোটে থাকে—সে যখন সবে তিন বছর তখন তা’কে— হবিদীন। সব বুঝলুম, কিন্তু যে রকম কাল পড়েছে, রাজা যদি শাস্তর না শোনে ! কুঞ্জব। তখন আমরাও শাস্তর ছেড়ে অস্তর ধরব । কিন্তু। সাবাস বলেছ, শাস্তব ছেড়ে অন্তর। মনসুখ । কে বল্লে হে ? কথাটা কে বল্লে ? কুঞ্জব । (সগৰ্ব্বে) আমি বলেছি। আমার নাম কুঞ্জরলাল, কাঞ্জিলাল আমাক ভাইপো । কিন্তু । তা ঠিক বলেছ ভাই–শাস্তর আর অস্তর—কথনে শাস্তর কখনো অস্তর—আবার কখনো অস্তব কখনো শাস্তর । জওহব। কিন্তু বড় গোলমাল হচ্ছে । কথাটা কি যে স্থির হ’ল বুঝতে পারছিনে। শাস্তর না অস্তর ? : শ্ৰীহর কলু। বেটা তাতি কি না, এটটে আব বুঝতে পাল্লিনে ? তবে এতক্ষণ ধরে” কথাটা হ’ল কি ? স্থিব হ’ল যে শাস্তরের মহিমা বুঝতে ঢের দেরি হয়, কিন্তু অস্তরের মহিম খুব চট্‌পট্‌ বোঝা যায়। অনেকে ( উচ্চস্বরে ) তবে শাস্তর চুলোয় যাক্—অন্তর ধর ।