পাতা:রাজা ও রাণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


>९ রাজা ও রাণী দেবদত্তের প্রবেশ দেব। বেশী ব্যস্ত হবার দরকার করে না। চুলোতেই যাবে শীগগির, তা’র আয়োজন হচ্চে। বেটা তোরা কি বলছিলি রে ? শ্ৰীহর । আমরা ঐ ভদ্রলোকের ছেলেটির কাছে শাস্তর শুনছিলুম ঠাকুর। দেব। এমনি মন দিয়েই শাস্তর শোনে বটে ! চীৎকারের চোটে রাজ্যের কানে তালা ধরিয়ে দিলে । যেন ধোবাপাড়ায় আগুন লেগেছে ? কিন্তু। তোমার কি ঠাকুর ! তুমি ত রাজবাড়ীর সিধে খেয়ে খেয়ে ফুলচ—আমাদের পেটে নাড়িগুলো জলে জলে’ ম’ল—আমরা বড় সুখে চেচাচ্চি ? মনমুখ। আজকালের দিনে আস্তে বল্লে শোনে কে ? এখন চেচিয়ে কথা কইতে হয়। কুঞ্জর। কান্নাকাটি ঢের হয়েছে, এখন দেখ চি অন্ত উপায় আছে কি না । দেব। কি বলিস রে ! তোদের বড় আস্পদ্ধ হয়েছে। তবে শুনবি ? তবে বলব ? “নসমানসমানসমানসমাগমমাপসমীক্ষ্যবসস্তনভ ভ্রমদভ্রমদভ্রমদভ্ৰমদভ্রমরচ্ছলতঃ খলু কামিজনঃ ” হরিদীন। ও বাবা শাপ দিচ্চে না কি ? দেব। (মনুর প্রাত ) তুমি ত ভদ্রলোকের ছেলে, তুমি ত শাস্তর বোঝ—কেমন, এ ঠিক কথা কি না ? “নস মানস মানস মনসং ।” মনু, আহ ঠিক। শাস্ত্র যদি চাও ত এই বটে ! তা আমিও ত ঠক ঐ কথাটাই বোঝাচ্ছিলুম! দেব। (নন্দর প্রতি ) নমস্কার! তুমি ত ব্রাহ্মণ দেখ চি। কি বল ঠাকুর, পরিণামে এই সব মুখর। “ভ্রমদভ্রমদভ্রমং” হ’য়ে মরবে না ?