পাতা:রাজা ও রাণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দ্বিতীয় অঙ্ক 86: সুমিত্রার বাহিরে আগমন সুমি । তোমরা কে গো ? পু। মিহির গুপ্ত আমাদের ছেলেটিকে ধরে রেখে আমাদের তাড়িয়ে দিয়েছে। আমাদেব চাল নেই, চুলো নেই, মরবার জায় নেই— তাই আমরা মন্দিরে এসেছি—মার কাছে হত্যা দিয়ে পড়ব—দেখি তিনি আমাদের কি গতি কবেন ? স্ত্রী। তা হা গাঁ, এখেনেও তোমরা সিপাষ্ট রেখেছ ? রাজার দরজা বন্ধ, আবাব মায়ের দবজাও আগলে দাড়িয়েছ ? সু। না, বাছা, এস তোমরা। এখানে তোমাদের কোনো ভয় নেই । । কে তোমাদের ওপর দৌরাত্ম্য করেছে ? পু। এই জয়সেন। আমরা বাজাব কাছে দুঃখু জানাতে গিয়েছিলেম, —রাজ-দর্শন পেলেম না,—ফিরে এসে দেখি আমাদের ঘরদোর জালিয়ে দিয়েছে—আমাদের ছেলেটিকে বেঁধে বেখেছে। সু। (স্ত্রীলোকের প্রতি ) ই গা, তা তুমি রাণীকে গিয়ে জানালে না কেন ? স্ত্রী। ওগো রাণীই ত রাজাকে যাদু করে রেখেছে। আমাদের রাজা ভালো,—রাজার দোষ নেই, —ঐ বিদেশ থেকে এক রাণী এসেছে, সে আপন কুটুম্বুদের বাজ্য জুড়ে বসিয়েছে। প্রজার বুকের রক্ত শুষে খাষ্টে গো ! পু। চুপ কর মাগী ! তুই রাণীর কি জানিস্ ? যে কথা জানিস্নে, তা মুখে আনিসনে। স্ত্রী। জানি গো জানি । ঐ রাণীই ত বসে’ বসে’ রাজার কাছে আমাদের নামে যত কথা লাগায় ! সু। ঠিক বলেছ বাছা! ঐ রাণী সৰ্ব্বনাশী ত যত নষ্টের মূল !