পাতা:রাজা ও রাণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৬৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তৃতীয় অঙ্ক কুমার। পৃথিবী করিব বশ তোমার এ প্রেমে। ইলা । আনন্দে জীবন মোর উঠে উচ্ছ,সিয়া বিশ্বমাঝে ! শ্রান্তিহীন কৰ্ম্মসুখতবে ধায় হিয়া । চিবকীৰ্ত্তি করিয়া অর্জন তোমারে করিব তা’র অধিষ্ঠাত্রী দেবী । বিরলে বিলাসে বসে’ এ অগাধ প্রেম পারিনে করিতে ভোগ অলসেব মত । ওই দেখ রাশি রাশি মেঘ উঠে আসে উপত্যক হ’তে, ঘিরিতে পৰ্ব্বতশৃঙ্গ,— স্বষ্টিব বিচিত্র লেখা মুছিয়া ফেলিতে। কুমার। দক্ষিণে চাহিয়া দেখ-অস্তববিকবে ইলা । সুবৰ্ণ সমুদ্র সম সমতলভূমি গেছে চলে’ নিরুদ্দেশ কোন বিশ্বপানে ! শস্তক্ষেত্রে, বনরাজি, নদী, লোকালয় অস্পষ্ট সকলি—যেন স্বর্ণ চিত্রপটে শুধু নানা বর্ণ সমাবেশ, চিত্ররেখা এখনো ফোটেনি। যেন আকাজক্ষণ অামাবি শৈল অন্তরাল ছেড়ে ধরণীর পানে চলেছে বিস্তৃত হ’য়ে হৃদয়ে বহিয়া কল্পনার স্বর্ণলেখা ছায়াফুট ছবি ! আহা হোথ কত দেশ, নব দৃশ্য কত, কত নব কীৰ্ত্তি, কত নবরঙ্গভূমি ! অনন্তের মূৰ্ত্তি ধবে’ ওই মেঘ আসে মোদের করিতে গ্রাস ! নাথ কাছে এস ! আহা যদি চিরকাল এক্ট মেঘমাঝে ২৩৯