পাতা:রাজা ও রাণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৮৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চতুর্থ অঙ্ক ༤༽ ཤ་ শিখরদশন, পঙ্কবিশ্বাধরোষ্ঠী, চোখ দিয়ে জলটল কিছু বেরোবে কি ? সে গুলো শীঘ্র শীঘ্র সেরে ফেল—আমি উঠি । নারা । পোড়া কপাল! চোখের জল ফেলব কি দুঃখে ? হা গা, তুমি না গেলে কি রাজার যুদ্ধ চলবে না ? তুমি কি মহাবীব ধূম্রলোচন হয়েছ ? দেব। আমি না গেলে রাজার যুদ্ধ থামবে না । মন্ত্রী বাব বার লিখে পাঠাচ্ছে বাজ্য ছাবখারে যায় কিন্তু মহারাজ কিছুতেই যুদ্ধ ছাড়তে চান না। এদিকে বিদ্রোহ সমস্ত থেমে গেছে । নার। বিদ্রোহই যদি থেমে গেল ত মহারাজ কা’র সঙ্গে যুদ্ধ কৰ্ত্তে যাবেন ? দেব। মহারাণীর ভাই কুমারসেনের সঙ্গে । নারা। ই গা, সে কি কথা! তালার সঙ্গে যুদ্ধ ? বোধ করি রাজার রাজায় এই রকম করেই ঠাট্ট চলে। আমরা হ’লে শুধু কান মলে’ দিতুম । কি বল ? দেব। বড় ঠাট্ট নয়। মহারাণী কুমারসেনেব সাহায্যে জয়সেন ও যুধাজিতকে যুদ্ধে বন্দী করে মহারাজের কাছে নিয়ে আসেন। মহারাজ র্তাকে শিবিরে প্রবেশ কর্তে দেননি। নারা । ই গা, বল কি ! তা তুমি এতদিন যাওনি কেন ? এ খবর শুনেও বসে’ আছ ? যাও, যাও, এখনি যাও । আমাদের রাণীর মত অমন সতী-লক্ষ্মীকে অপমান করলে ? রাজার শরীরে কলি প্রবেশ করেচে। দেব। বন্দী বিদ্রোহীর রাজাকে বলেচে—মহারাজ, আমরা তোমারই প্রজা—অপরাধ করে থাকি তুমি শাস্তি দেবে। একজন বিদেশী এসে আমাদের অপমান করবে এতে তোমাকেই অপমান করা হ’ল—যেন তোমার নিজ রাজ্য নিজে শাসন করবার ক্ষমতা নেই। একটা সামান্ত