পাতা:রামতনু লাহিড়ী ও তৎকালীন বঙ্গসমাজ.djvu/৪০৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
৩৩৭
ত্ৰয়োদশ পরিচ্ছেদ।

হইতেছে। কলিকাতার ব্রাহ্মগণ সেই দৃষ্টান্তে উংসাহিত হইয়া উঠিত লাগিলেন॥

 ১৮৭০ কি ১৮৭১ সালে গুর্গামোহন দাস মহাশয় হাইকোর্টে ওকালতি করিবার জন্য কলি কা তাতে আসিলেন। তিনি আসিয়া বসি বামাত্র কলি কাতার সমাজসংস্কারার্থী নবং ব্ৰ ক্ষণলের কেন্দ্র স্বরূপ হইলেন। তাঁহার ভবন ঐ সুবক দধের এক প্রধান আা ছা হইয়া উঠিল। তখন “অবল’বান্ধ ব” সম্পাদক দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায় তাহার কীগ ঙ্গ লইয়া কলকা তাতে প্রতিষ্ঠিত হইয়! ছেন; এবং নারীজাতির শিক্ষা ও স্বাধীনত বিধযে আন্দোলনে প্রবৃত্ত হইয়াছেন। দ্বারকানাথের পশ্চাতে পরবর্তী সময়ের ডেপুী কটে,ালারজেনারেল রজনীনাথ রায় প্রভৃতি একদল যুবক মাছেন। ইহার দুর্গামোহন দাসকে পাইয়া, ধোঁটার। ঙ্গোরে মেড়ার স্যায়, বগশালী হইয়া স্ত্রীশিক্ষা ও স্বী স্বাধীনতার জন্য বন্ধ-পরিকর হইলেন এবং ব্রাহ্মসমাজের মধোই প্রবল আন্দোলন উপস্থিত করিলেন।

 দে আন্দোলনের ইতিবৃত্ত গ:গ্রই বিরাছি। কেশববাবু ইহাদের অফুরোধে ভারতবর্ষীয় ব্রহ্মমন্দিরের মধ্যে। প্র কাগ্যস্থানে মহিলাগ:ণর বসিবার আসন নিৰ্দেশ করিতে যখন বিলৰ করিতে লাগিলেন, তখন এক দিন তুর্গামোহন। দাস মহঃশয়, এবং যতদূর স্মরণ হয় ডাক্তার অন্নদাচরণ খণ্ড গর মহাশয়, দ্ৰীয় স্বীয় পল্লী ও কমাগণ সহ, মন্দিরের উপাসনা কালে, পুণ্য-উপাসকগণের মধ্যে অগিয়া মাসন পরিগ্রহ করিলেন। অণনি ব্রাক্ষ দলের মধ্যে আন্দোলন উঠিয়া গেল। উপাসকমণ্ডলীর প্রাচীন সভ;গণ ঘোর আপত্তি উখাপন করিলেন। কেশবচন্দ্র সেন মহাশয় বিপদে পড়িয়া গেলেন। তিন চিন্তা করিয়া একট। কিছু স্থির করিতে না করিতে দ্বিতীয় দিন পীনতাপক্ষীয়েরা আবার সপরিবারে মন্দিরে আসিয়া উপস্থিত হইলেন॥ ফে বরে মন্দিরের তত্ত্বাবধায়ক মহিলাগণকে সকলের মধ্যে বসিতে নিযেধ করলেন। iাহারা বিবাদ না করিয়া চলিয়া গেলেন। তদবধি তাহারা মন্দিরে মোসা পরি ত্যাগ করিলেন; এবং একটি স্বতন্ত্র সমাজ স্থাপন করিলেন। প্রথমে থাৎগির মহাশয়ের ভবনে। এই সমাজের অধিবেশন হইতে লাগিল। প্রতিবাদকারিগণ গিয়া তাহাদের। নবপ্রতিষ্ঠিত সমাজে উপাসনা করিবার জন্য মহৰ্ষি দেবেন্দ্রনাথকে ধরিলেন। যে কেহ উপাসনা করিতে চাকিত, তিনি নিতান্ত অসমর্থ ন৷ হইলে সে প্রার্থনা পূর্ণ করিতেন, দেবেন্দ্রনাথের এই নিয়ম ছিল; সুতরাং তিনি। আান মাত্র আসিয়া একদিন উপাসনা করিয়া নবসমাজের উৎসাহী সভা ৪৩