প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:রূপান্তর-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/২২৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গ্রন্থপরিচয় আত্মদা বলদা যিনি ॥ পৃ ৯ ॥ তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার ১৮১৫ শক (খৃ ১৮৯৪) ফাঙ্কন সংখ্যায় ইহা বিনা নামে প্রকাশিত হইলেও সুচীপত্রে রবীন্দ্রনাথের নাম আছে। নবরত্নমালায় বিনা স্বাক্ষরে পুনর্মুদ্রিত। ভ্রষ্টব্য নির্মলচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের “কস্মৈ দেবায় হবিষা বিধেম” প্রবন্ধ, প্রবাসী, চৈত্র ১৩৪৯ । শোনো বিশ্বজন ॥ পৃ ১৯ ॥ ইহা নৈবেষ্ঠের ৬০-সংখ্যক কবিতার অংশ। নৈবেদ্যের পাঠক অবগত আছেন যে আরও অনেক কবিতায় উপনিষদের মন্ত্র প্রতিধ্বনিত হইয়াছে। যথা— ভয়াদস্তাগ্নিস্তপতি ভয়াত্তপতি সূর্যঃ ভয়াদিন্দ্রশ্চ বায়ুশ্চ মৃত্যুধাবতি পঞ্চমঃ ॥ অগ্নির প্রত্যেক শিখা ভয়ে তব কঁপে, বায়ুর প্রত্যেক শ্বাস তোমারি প্রতাপে, তোমারি আদেশ বহি মৃত্যু দিবারাত চরাচর মর্মরিয়া করে যাতায়াত । —নৈবেদ্য, ৫৮-সংখ্যক কবিতা যো দেবোহন্ত্রেী যোহপস্থ যো বিশ্বং ভূবনমাবিবেশ । য ওষধীযু যে বনস্পতিৰু তস্মৈ দেবায় নমোনমঃ ॥ হে সকল ঈশ্বরের পরম ঈশ্বর, তপোবনতরুচ্ছায়ে মেঘমন্দ্রস্বর ঘোষণা করিয়াছিল সবার উপরে অগ্নিতে জলেতে এই বিশ্বচরাচরে বনস্পতি-ওষধিতে এক দেবতার অখণ্ড অক্ষয় ঐক্য । —নৈবেদ্ধ, e৭-সংখ্যক কবিতা