প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:রূপান্তর-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/২২৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রূপান্তর সত্যকাম জাবাল মাতা জবালাকে বললেন । পৃ ২১ ॥ ক্ষিতিমোহন সেন মহাশয়ের প্রবন্ধে ছান্দোগ্য উপনিষদের সত্যকামকাহিনী অবলম্বনে লিখিত চিত্রা কাব্যের সর্বজনপরিচিত ব্রাহ্মণ কবিতার উল্লেখ আছে। পরবর্তীকালে রবীন্দ্রনাথ এই কাহিনীর এক অংশের অনুবাদ করেন, সম্প্রতি তাহা বিশ্বভারতী পত্রিকার শ্রাবণ-আশ্বিন ১৩৬৯ সংখ্যায় ( ছন্দ-কণিকা, ১২ ), তথা রবীন্দ্রনাথের “ছন্দ’ গ্রন্থের শ্ৰীপ্ৰবোধচন্দ্র সেন -সম্পাদিত দ্বিতীয় সংস্করণে ( ১৯৬২ ) প্রকাশিত হইয়াছে। এ স্থলে পুনরুমুদ্রিত হইল । ফুল্লশাখা যেমন মধুমতী ॥ পৃ ২৩ ॥নৃত্যনাট্য চিত্রাঙ্গদায় অথর্ববেদের কয়েকটি শ্লোকের অনুবাদ ব্যবহৃত হইয়াছে। এই বিভাগের চতুর্দশ-পঞ্চদশ-ষোড়শ কবিতারূপে সেই অনুবাদগুচ্ছ মুদ্রিত হইল । চতুর্দশ কবিতা নাট্যশেষে অৰ্জুনের উক্তি, পঞ্চদশ চিত্রাঙ্গদার উক্তি, এবং ষোড়শ উভয়ের সম্মিলিত উক্তিরূপে ব্যবহৃত । যেমন আমি সর্বসহ শক্তিমতী ॥ পৃ ২৪ ॥ পাণ্ডুলিপি হইতে গৃহীত। সম্ভবতঃ নৃত্যনাট্য চিত্রাঙ্গদার জন্য লেখা হইয়াছিল, তবে গ্রস্থে ব্যবহৃত হয় নাই । ধৰ্ম্মপদ । এই বিভাগে ধৰ্ম্মপদের নির্বাচিত অংশের যে অনুবাদ প্রকাশিত হইল তাহ বিশ্বভারতী পত্রিকার শ্রাবণ-আশ্বিন ১৩৫৫ সংখ্যায় প্রকাশিত হয় । তাহার পূর্বে এই অনুবাদের একাংশ —যমকবগ গো ( যুগ্মগাথা) ও পুপফবগগো (পুষ্পবর্গ )— শারদীয়া আনন্দবাজার পত্রিকায় মুদ্রিত হয় ; তখন তাহার সহিত এই বিবরণ প্রকাশিত হইয়াছিল— শ্ৰীচারুচন্দ্র বস্থ মহাশয় -সম্পাদিত ধৰ্ম্মপদ গ্রন্থের গদ্য বঙ্গানুবাদ প্রকাশিত হইলে, রবীন্দ্রনাথ বঙ্গদর্শন ( ১৩১২ ) পত্রে উহার প্রশস্তি প্রকাশ করেন••• সম্ভবতঃ এই সময়েই, চারুচন্দ্র বসু -সম্পাদিত গ্রন্থের এক খণ্ডের মার্জিনে রবীন্দ্রনাথ ধৰ্ম্মপদের কিয়দংশের অনুবাদ করিয়া রাখিয়াছিলেন ; এই দীর্ঘকাল ইহা অপ্রকাশিত অবস্থায় ছিল।... কিছুকাল পূর্বে... ( প্রবাসী, চৈত্র ১৩৪৯) শাস্তিনিকেতনের অধ্যাপক শ্ৰীনির্মলচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই অনুবাদ বিষয়ে BR e V