প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:রূপান্তর-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/২২৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রূপান্তর অতি হৃষ্ট হইবে না প্রিয়-সমাগমে, অপ্রিয়ে হবে না মান ব্যথিয়া মরমে ; করিবে না হাহুতাশ হলে অঘটন, ধর্ম ত্যজিবে না কভু থাকিতে জীবন । মহাভারতের ‘মুখং বা যদি বা দুঃখং শ্লোকটি রবীন্দ্রনাথের বিশেষ প্রিয় ছিল, অনুবাদ ব্যতিরেকেও বহু স্থানে ব্যবহার করিয়াছেন । মনুসংহিতা ॥ গাভী দুহিলেই দুগ্ধ পাই তো সদ্যই ॥ পৃ ৪৩ ৷ এই অনুবাদ বিধুশেখর শাস্ত্রী মহাশয়ের অনুরোধক্রমে কৃত । তিনি মালদহ জিলার অন্তর্গত স্বগ্রাম হরিশ্চন্দ্রপুরে একটি ধর্মস্তম্ভ' প্রতিষ্ঠা করেন (১ চৈত্র ১৩৪৬), তাহার জন্য এই ‘ধর্মলিপি’ । ঐ সময়ে ধর্মস্তম্ভ নামে একটি পুস্তিকায় এই অনুবাদ মুদ্রিত হয়। পরে বিশ্বভারতী পত্রিকার বৈশাখ-আষাঢ় ১৩৬০ সংখ্যায় ধর্মলিপি নামে পুনরমুদ্রিত। রবীন্দ্রসাহিত্যের পাঠক সকলেই জানেন যে শেষ শ্লোকটি (অধৰ্মে নৈধতে তাবৎ ) রবীন্দ্রনাথ বারংবার উচ্চারণ করিয়াছেন ; ‘সভ্যতার সংকট’ ভাষণেরও এই শেষ বাণী । بر কালিদাস ॥ কুমারসম্ভব ॥ মদনদহন ॥ পৃ ৪৭ হইতে ॥ এই প্রসঙ্গে দ্রষ্টব্য— শ্ৰীপ্ৰবোধচন্দ্র সেন -লিখিত “রবীন্দ্রনাথের বাল্যরচনা”, বিশ্বভারতী পত্রিকা, বৈশাখ ১৩৫০ এবং শ্ৰীকানাই সামন্ত -প্রণীত রবীন্দ্রপ্রতিভা গ্রন্থে ( ১৯৬১ ) “রবীন্দ্রপ্রতিভার নেপথ্যভূমি” প্রবন্ধ। শ্ৰীপ্ৰবোধচন্দ্র সেন এই অনুবাদের কাল অনুমান করেন ১৮৭৪ খৃস্টাব্দের শেষার্ধ। ইহা ভারতীয় ভাষায় রচিত কাব্য হইতে রবীন্দ্রনাথের প্রথম কাব্যাকুবাদ । কুমারসম্ভব-অধ্যয়ন সম্বন্ধে রবীন্দ্রনাথ জীবনস্মৃতিতে “ঘরের পড়া” অধ্যায়ে লিথিয়াছেন– “আনন্দচন্দ্র বেদাস্তবাগীশের পুত্র জ্ঞানচন্দ্র ভট্টাচার্য মহাশয় বাড়িতে আমাদের শিক্ষক ছিলেন। ইস্কুলের পড়ায় যখন তিনি কোনোমতেই Հ oԵ