প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:রূপান্তর-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/২২৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গ্রন্থপরিচয় আমাকে বাধিতে পারিলেন না, তখন হাল ছাড়িয়া দিয়া অন্ত পথ ধরিলেন । আমাকে বাংলায় অর্থ করিয়া কুমারসম্ভব পড়াইতে লাগিলেন।” জীবনস্থতির একটি পাণ্ডুলিপিতে এ প্রসঙ্গে আরও লিখিত আছে– “তিন সর্গ যতটা পড়াইয়াছিলেন তাহার আগাগোড়া সমস্তই আমার মুখস্থ হইয়া গিয়াছিল।” সংকলিত পাঠ সম্বন্ধে বলা প্রয়োজন যে, মালতীপুথি হইতে এই পাঠ সংকলিত। ইহাতে অন্তের হাতের ( বড়দাদা দ্বিজেন্দ্রনাথের ? ) যোগ-বিয়োগ গ্রহণ করা হয় নাই, কবি স্বয়ং যাহা বর্জন করিয়াছেন মনে হয় তাহা ত্যাগ করা হইয়াছে। মালতীপুথির জীর্ণতা-বশতঃ সর্বস্থলে পাঠোদ্ধার হয় নাই ; কোনো কোনো স্থলে— [ ] এরূপ বন্ধনী-মধ্যে আহমানিক পাঠ দেওয়া হইয়াছে। ৭০-সংখ্যক শ্লোকের অনুবাদে ( দ্বিতীয় ছত্র, পৃ. ৫৭) ক্ষণিক অনবধানে একটি কথা আদৌ লেখা হয় নাই অথচ লেখা সম্ভবপর ছিল ইহা মনে হয় । অন্য দু-একটি লিপি প্রমাদও ঐরূপ অনবধানজনিত মনে হয়, শুদ্ধ আকারে ছাপা হইয়াছে। সম্পূর্ণ পাণ্ডুলিপির যে প্রতিলিপি এই গ্রন্থে দেওয়া গেল, সেই সঙ্গে গ্রন্থপরিচয়ের শেষে "সংযোজন-সংশোধন’, বিশেষভাবে দ্রষ্টব্য । উত্তরদিগন্ত ব্যাপি ॥ পৃ ৫৭ ॥ ছন্দ গ্রন্থের “ছন্দের মাত্রা” প্রবন্ধ হইতে গৃহীত। এই প্রসঙ্গে ছন্দ গ্রন্থের দ্বিতীয় সংস্করণে পৃ ১২৩-২৪ দ্রষ্টব্য। রঘুবংশ ৷ বাক্য আর অর্থ -সম সম্মিলিত শিবপার্বতীরে ॥ পৃ ৫৯ ॥ প্রথম সর্গের ১-১০ শ্লোকের অনুবাদ সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর -সংকলিত নবরত্নমালা ( ১৩১৪ ) গ্রন্থে বিনা স্বাক্ষরে প্রকাশিত হয় । পৃ ৬১ হইতে ॥ মনেও আনি নি তব অপ্রিয় কভু ॥ কুস্থমে খচিত কুঞ্চিত কালো কেশে ॥ হে প্রেয়সি, তবে উচিত তোমার ত্বর ॥ ও মুখে অলক দোলে ষে মারুতভরে ॥ শর্বর পুন ফিরে পায় শশধরে ॥ সমস্থখদুখ তব সঙ্গিনীজন ॥ ধুতি হল দূর, রতি শুধু স্মৃতিলীন ৷ গৃহিনী, সচিব, রহস্তসখী মম ॥ তোমা বিনা আজ রাজসম্পদ ধনে ॥ রবীন্দ্রনাথ-সম্পাদিত ১৩১২ পৌষ সংখ্যা বঙ্গদর্শনে রঘুবংশ অষ্টম সর্গের ৫২-৫৬, ৬৫-৬৭ ও ৬৯ শ্লোকের এই অনুবাদ অজবিলাপ নামে প্রকাশিত হয়। স্বাক্ষরবিহীন এই অনুবাদগুলি সম্পাদক-কৃত এইরূপ মনে করা যাইতে পারে । শ্রীজগদীশ ఇది వె > 8