প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:রূপান্তর-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/২২৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রূপান্তর ভট্টাচার্ষের “নব-রত্নমালায় রবীন্দ্রনাথের কবিতা” ( প্রবাসী, ১৩৪৫ ভাত্র ) প্রবন্ধে এগুলি রবীন্দ্ররচনা বলিয়া নির্দিষ্ট হইয়াছে। ১৩১৪ সালে বিনা স্বাক্ষরে এগুলি ‘নবরত্নমালা’র অন্তর্ভুক্ত হয় । &. বহু অপরাধে তবুও আমার পর ॥ শয়ন রচিত হত পল্পবে নব ॥ এ মেখলা তব প্রথম রহঃসখী ॥ রঘুবংশ অষ্টম সর্গের ৪৮, ৫৭ ও ৫৮ শ্লোকের এই অনুবাদ বৈজয়ন্তী পত্রিকার ১৩৪৬ অগ্রহায়ণ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়, পূর্বোল্লিখিত অনুবাদগুলিও ঐ সঙ্গে পুনর্মুদ্রিত হয়। ৫৫-সংখ্যক শ্লোকের দ্বিতীয় রূপান্তর ( অলক তোমার কভু মৃদুবায়ুভরে ) পাণ্ডুলিপি হইতে সংকলিত। মেঘদূত ॥ পৃ ৬৭ ॥ পূর্বমেঘের শ্লোকদ্বয়ের প্রথম অনুবাদটি ছন্দ গ্রন্থের অন্তর্গত "ছন্দের মাত্রা” প্রবন্ধ হইতে গৃহীত। এই অনুবাদের ভূমিকাস্বরূপ রবীন্দ্রনাথ লিখিয়াছেন— “সংস্কৃত ভাষায় নূতন ছন্দ বানানো সহজ নয়, পুরানো ছন্দ রক্ষা করাও কঠিন। যথানিয়মে দীর্ঘ হ্রস্ব স্বরের পর্যায় বেঁধে তার সংগীত। বাংলায় সেই দীর্ঘ ধ্বনিগুলিকে দুই মাত্রায় বিশ্লিষ্ট করে একটা ছন্দ দাড় করানো যেতে পারে, কিন্তু তার মধ্যে মুলের মর্যাদা থাকবে না । মন্দাক্রাস্তার বাংলা রূপান্তর দেখলেই তা বোঝা যাবে।” অতঃপর দৃষ্টান্তস্বরূপ অনুবাদটি দিয়াছেন। প্রথম শ্লোকটির অপর যে দুইটি অনুবাদ প্রকাশিত হইল তাহার প্রথমটি (পৃ ৬৮, অভাগা যক্ষ যবে করিল কাজে হেলা) মেঘদূত-অনুবাদক প্যারীমোহন সেনগুপ্তকে এক পত্রে ( ১৩ মার্চ, ১৯৩১ ) লিখিত ও “সংস্কৃত কাব্যের অনুবাদ” নামে উদয়ন পত্রের ১৩৪০ জ্যৈষ্ঠ সংখ্যায় প্রকাশিত, পরে রবীন্দ্ররচনাবলী একবিংশ খণ্ডে সংগৃহীত। এই পত্রে সংস্কৃত কাব্যের অনুবাদ সম্বন্ধে কবি যাহা লিখিয়াছেন তাহ অক্ষুধাবনযোগ্য— “সংস্কৃত কাব্য-অনুবাদ সম্বন্ধে আমার মত এই যে, কাব্যধ্বনিময় গদ্যে ছাড়া বাংলা পস্তচ্ছন্দে তার গাম্ভীর্ষ ও রস রক্ষা করা সহজ নয়। দুটি-চারটি শ্লোক কোনোমতে বানানো যেতে পারে ; কিন্তু দীর্ঘ কাব্যের অনুবাদকে সুখপাঠ্য ও সহজবোধ্য করা দুঃসাধ্য। নিতান্ত সরল পয়ারে তার অর্থটিকে প্রাঞ্জল করা & No e