প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:রূপান্তর-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/২৩১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রূপান্তর “বিনা স্বাক্ষরে প্রকাশিত’ বলিয়া বর্ণিত এই কবিতাগুলির সবই রবীন্দ্রনাথের সমৰ্থনত্রমে শ্ৰীজগদীশ ভট্টাচার্ধ প্রবাসী পত্রে পূর্বোক্ত প্রবন্ধে এবং বৈজয়ন্তী পত্রে ১৩৪৬ অগ্রহায়ণ ও পৌষ সংখ্যায় প্রকাশিত “কয়েকটি অনুবাদ"এ পুনৰ্বমুদ্রণ বা উল্লেখ করিয়াছেন । ৪ - ৪-সংখ্যক অনুবাদ (পৃ ৭৩, শরীর সে ধীরে ধীরে যাইতেছে আগে ) ১২৮৪ মাঘ সংখ্যা ভারতী পত্রে “সম্পাদকের বৈঠক” বিভাগে বিচ্ছেদ নামে প্রকাশিত হইয়াছিল। সজনীকান্ত দাস এই অনুবাদ রবীন্দ্রনাথ-কৃত বলিয়া চিহ্নিত করেন। ভ্রষ্টব্য “রবীন্দ্র-রচনাপঞ্জী”, শনিবারের চিঠি, অগ্রহায়ণ ১৩৪৬, পৃ ৩১৩ । মালতীপুথি নামে খ্যাত পুরাতন পাণ্ডুলিপিতেও এটি পাওয়া গিয়াছে। ৬-সংখ্যক অনুবাদ (পৃ ৭৩, মাঝে মাঝে পদ্মবনে পথ তব হোক মনোহর ) মানসী পত্রের প্রথম বর্ষ প্রথম সংখ্যায় ( ফাঙ্কন ১৩১৫ ) প্রকাশিত হয় । পূর্বোল্লিখিত শকুন্তলা প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ অভিজ্ঞানশকুন্তল সম্বন্ধে গ্যেটের উক্তি উদদ্ভুত করিয়াছেন– “কেহ যদি তরুণ বৎসরের ফুল ও পরিণত বৎসরের ফল, কেহ যদি মর্ত্য ও স্বর্গ একত্র দেখিতে চায়, তবে শকুন্তলায় তাহা পাইবে।” এক সময় গ্যেটের এই উক্তির ইস্ট উইক-কৃত ইংরাজি রূপের কাব্যাকুবাদও রবীন্দ্রনাথ এইভাবে করিয়াছিলেন— Wouldst thou the young year's blossoms and the fruits of its decline, And all by which the soul is charmed, enraptur'd, feasted, fed, Wouldst thou the earth and heaven itself in one sole name combine 2 I name thee, O’Sakuntala ! and all at once is said. নব বৎসরের কুঁড়ি— তারি এক পাতে বরষশেষের পক্কফল, প্রাণ করে চুরি আর তারি এক সাথে প্রাণে এনে দেয় পুষ্টিবল, 及为之