প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:রূপান্তর-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/২৩২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গ্রন্থপরিচয় আছে স্বৰ্গলোক আর সেই এক ঠাই বাধা যেথা আছে মহীতল— হেন যদি কিছু থাকে তুমি তবে তাই ওহে অভিজ্ঞানশকুন্তল । সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'নবরত্নমালা’ গ্রন্থে এই অনুবাদ সাংকেতিক ( র)’ স্বাক্ষরে মুদ্রিত হয় । মালবিকাগ্নিমিত্ৰ ॥ নেপথ্যপরিগত প্রিয়া সে ॥ পৃ ৭৭ ॥ রবীন্দ্রসদনের অন্যতম পাণ্ডুলিপিতে পাওয়া গিয়াছে। ভবভূতি । কী জানি মিলিতে পারে সম সমতুল ॥ পৃ ৭৭ ৷ পাণ্ডুলিপি হইতে প্রাপ্ত। দ্রষ্টব্য শ্ৰীকানাই সামন্ত -প্রণীত রবীন্দ্রপ্রতিভা গ্রন্থ, পৃ ৪০৮। অর্থ পরে বাক্য সরে, লৌকিক যে সাধুগণ ॥ পৃ ৭৭ ॥ নবরত্নমালায় বিনা স্বাক্ষরে প্রকাশিত । কিছুই করে না, শুধু সখ্য দিয়ে হরে দুঃখগ্লানি ॥ পৃ ৭৭ ৷ বৈজয়ন্তী ১৩৪৬ পৌষ সংখ্যায় প্রকাশিত । ভট্টনারায়ণবররুচি-প্রমুখ কবিগণ । প্রথম ও শেষ দুইটি ব্যতীত এই অধ্যায়ের সমস্ত শ্লোক-কবিতাই ‘শ্ৰীডাক্তরযোহনহেবরলিনকর্তৃক সমাহৃত অতিপ্রাচীন কাব্যসংগ্রহঃ’ এবং পরবর্তী কালের “স্বভাষিতরত্নভাণ্ডাগারম্ এই দুই আধারগ্রন্থে পাওয়া যায়। যেমন পাঠের বিষয়ে তেমনি কবি বা কাব্যের নির্ধারণে ঐ দুটি গ্রন্থের পরেই বিশেষ নির্ভর করা হইয়াছে— এজন্য শেষোক্ত গ্রন্থের প্রচলিত ( ১৯৫২ ) সংস্করণও দেখা হইয়াছে । যে-সকল ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ স্বয়ং মূল শ্লোক উদ্ধার করিয়া বাংলা অনুবাদ দিয়াছেন, অথবা অনুবাদ হইতেই বুঝা যায় কোন পাঠ তাহার স্বীকৃত, আধারগ্রন্থের সহিত না মিলিলেও, রবীন্দ্রনাথ- ধৃত বা স্বীকৃত শ্লোকই এই গ্রন্থে সংকলিত। এ বিষয়ে ১০২-১০৩ পৃষ্ঠার টাকা-টিপ্পনী দ্রষ্টব্য। a >\○