প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:রূপান্তর-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/২৩৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গ্রন্থপরিচয় এই জন্তে সংস্কৃত শব্দকেই আসরে নামানো চাই— অম্বর অম্বুদে স্নিগ্ধ, তমালে তমিশ্র বনভূমি, তিমিরশর্বরী, এ যে শঙ্কাকুল, সঙ্গে লহো তুমি। আর কিছু না হোক, এতে গীতগোবিন্দের স্বরটা লাগলো। আমি হলে ছন্দাভাস দেওয়া গদ্যে সংস্কৃতধ্বনিসম্পদ রেখে মেঘদূতের তর্জমা করতুম।••• -ब्ररीटानांथ ठांकूब्र কঁাপিলে পাতা নড়িলে পাখি ॥ বচন যদি কহ গো দুটি ॥ পৃ ৯৩ ৷ অনুবাদ দুইটি সবুজপত্রে ১৩২১ শ্রাবণ সংখ্যায় “বাংলা ছন্দ” নামে প্রকাশিত জে. ডি. অ্যাণ্ডার্সনকে লিখিত পত্রে প্রথম মুদ্রিত হয়। কুঞ্জকুটিরের স্নিগ্ধ অলিন্দের পর ॥ কুঞ্জ -পথে পথে চাদ উকি দেয় আসি ॥ আসে তো আস্থক রাতি, আস্থক বা দিবা৷ পৃ ৯৫ ॥ ধীরে-ধীরে চলো তম্বী, পরো নীলাম্বর ॥ চক্ষু’পরে মুগাক্ষীর চিত্ৰখানি ভাসে ॥ আনতাঙ্গী বালিকার শোভাসৌভাগ্যের সার ॥ বিধিয়া দিয়া আঁখিবাণে ॥ পৃ ৯৭ ৷৷ হরিণগর্বমোচন লোচনে ॥ সে গাম্ভীর্ষ গেল কোথা, নদীতট হেরো হোথা ॥ পৃ ৯৯ ৷ এই নয়টি অনুবাদ প্রজাপতির নির্বন্ধ তথা চিরকুমারসভা হইতে গৃহীত। ইহার প্রথমটির পাঠান্তর পাণ্ডুলিপি হইতে শ্ৰীকানাই সামন্ত সংকলন-পূর্বক র্তাহার “রবীন্দ্রপ্রতিভার নেপথ্যভূমি” প্রবন্ধে প্রকাশ করিয়াছেন, তথা হইতে গৃহীত। আনতাঙ্গী বালিকার ॥ পৃ ৯৭ ৷ ইহার প্রসঙ্গে নাটকের নিম্নলিখিত সংলাপ কৌতুহলজনক— পূর্ণ। না রসিকবাবু, ও ঠিক হল না ও কেবল বাকচাতুরী। দুটাে চোখ পরম্পরকে দেখতে চায় না । * * রসিক । অন্য দুটো চোখকে দেখতে চায় তো ? সেই রকম অর্থ করেই নিন না । শেষ দুটো ছত্র বদলে দেওয়া যাক— প্রিয়চক্ষু দেখাদেখি যে আনন্দ, তাই সে কি খুজিছে চঞ্চল ? S. So