প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:রূপান্তর-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/২৪১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রূপান্তর বাহির হইয়াছে । রবীন্দ্রনাথ মনে করেন, এটি তাহার রচনা । —রবীন্দ্র-রচনাপঞ্জী, শনিবারের চিঠি, মাঘ ১৩৪৬ এই অম্বুবাদটি মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ -কৃত হইলেও হইতে পারে এরূপ অনুমিত হইয়াছে— গানটি মূল-ভজন-সংগ্রাহক মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথের নিজের কৃত অনুবাদ হওয়াও কিছু বিচিত্র নয় ; জ্যোতিরিন্দ্রনাথ হয়তো অনুবাদের প্রথমাংশটুকু স্বরে বসিয়েছিলেন মাত্র । প্রিয়নাথ শাস্ত্রী -সংস্করণ মহর্ষির ‘আত্মচরিতে ১৫২ পৃষ্ঠায় সম্পূর্ণ ভজনটির অনুবাদ গদ্য আকারে মুদ্রিত হয়েছিল ; স্বতন্ত্র কোনো অতুবাদকের নাম সেখানে কোথাও উল্লিখিত হয়নি। সে অনুবাদে গানটির প্রচলিত ছয়টি লাইনের পরেও আরো চারটি লাইন আছে । এই প্রসঙ্গে দুটি কথা স্মরণ রাখা ভালো। প্রথমত, অনুবাদটি ‘তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা’য় যে বৎসরে প্রথম প্রকাশিত হয় (১৭৯৬ শক) তার অব্যবহিত পূর্বের তিন বছর দেবেন্দ্রনাথ পর পর অমৃতসর ভ্রমণ করেছিলেন । দ্বিতীয়ত, দেবেন্দ্রনাথ আত্মচরিত রচনা শেষ করেন মাঘ ১৮১৬ শকে • • •‘ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি’ প্রকাশের (১৮২৬ শক. ) প্রায় বছর দশেক পূর্বে এবং... নির্দেশ দিয়েছিলেন, "ইহাতে কোন নূতন শব্দ যোগ করিবে না, ইহার বিন্দু বিসর্গও পরিত্যাগ করিবে না ।” —শ্ৰীনির্মলচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, “রবীন্দ্রগীতজিজ্ঞাসা”, গীতবিতান বাষিকী ১৩৫ • সেদিন হেরিবে কবে এ মোর নয়ান ॥ পৃ ১৯৭ ॥ সজনীকান্ত দাস ১৩৬২ অগ্রহায়ণ সংখ্যা শনিবারের চিঠিতে নিম্নমুদ্রিত বিবরণসহ একটি অভঙ্গের এই অনুবাদটি প্রকাশ করেন— “আমি হস্তান্তরিত পুস্তকের বাজারেই জোড়ার্সাকো ঠাকুরবাড়ি হইতে অপস্থত একখানি পুস্তক পাই । তাহারই মধ্যে কোনও অজ্ঞাত পুস্তকের পুস্তনির একটি পৃষ্ঠা লুক্কায়িত ছিল । সাদা পুস্তনির উপর পেনসিলে লেখা আর একটি অভঙ্গের অনুবাদ ছিল । হস্তাক্ষর নিঃসংশয়ে কিশোর রবীন্দ্রনাথের ।” ১ • ভাবসাদৃপ্ত পূর্বগামীদের কোনো কোনো রচনার সহিত রবীন্দ্রনাথের কোনো কোনো রচনার সাদৃত এমন যে, রবীন্দ্রনাথের রচনা অনুবাদ বলিয়া অনুমান হইতে পারে। এই २ २२