প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:রূপান্তর-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/২৪৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রূপান্তর এই গ্রন্থ পড়িয়া বিধুশেখর শাস্ত্রী মহাশয় রবীন্দ্রনাথকে এক পত্রে (২৪ কার্তিক ১৩৪২ ) লেখেন– “কয়েক দিন হইতে মনের মধ্যে একটা প্রশ্ন হইয়াছে তাহা লিখিতেছি। ক্ষিতির দাদুর ২১৮ ও ৬৪• পৃষ্ঠা দেখুন। “ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে”— আপনার এই কবিতাটি লিখিবার পুর্বে দাদূর কবিতাটির সহিত আপনার কোনো পরিচয় ছিল কি ? আশ্চর্য মিল!” উত্তরে রবীন্দ্রনাথ লেখেন (২৬ কার্তিক ১৩৪২ )– “দাদুর সঙ্গে আমার পরিচয় আপনাদের ঠাকুর্দাদুর [ ক্ষিতিবাবুর ] সঙ্গে পরিচয়ের পরে। “ধূপ আপনারে” কবিতাটি তার অনেক পূর্বের লেখা। এমন একটি নয়, ক্ষিতিবাবু প্রমাণ করতে বসেছেন যে আমার অনেক কবিতার ভাব, এমন-কি তার বাক্য আমার জন্মের পূর্বেই মধ্যযুগের সাধকের বিনা স্বীকৃতিতেই চুরি করে নিয়েছেন। অদৃশ্বে সিদ্ধ কাটবার কোথাও একটা সহজ পথ নিঃসন্দেহ আছে। অধিকাংশ কবিই চোর কবি, তারা না জেনেও ভূত ভবিষ্যতের ভাণ্ডারে হস্তক্ষেপ করে থাকেন ।” সাওতালী অমুবাদ কিশোরীমোহন সাতরাকে লিখিত রবীন্দ্রনাথের নিম্নমুদ্রিত পত্র (৮১৩৯ ) হইতে জানা যায় তিনি সাওতালী ছড়ারও অনুবাদ করিয়াছিলেন– “মাঝে । মাঝে লেখার প্রয়োজনে সাওতালি ছড়ার খোজ করছিলুম। ভুলে গিয়েছিলুম সাহিত্যপরিষদে তাদের কবর হয়েছে। ওগুলো পাঠিয়ে । মূলগুলো সাওতালি । কিন্তু বাংলাটা আমার ।” এই অনুবাদগুলির সন্ধান এখনও পাওয়া যায় নাই । এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য যে, শান্তিনিকেতন বিদ্যালয়ের ভূতপূর্ব ছাত্র ও অধ্যাপক সন্তোষচন্দ্র মজুমদার দীর্ঘকাল ধরিয়া প্রতিবেশী সাওতালদের জীবনযাত্রা সম্বন্ধে নানা তথ্য ও বহু সাওতালী গান সংগ্ৰহ করিয়াছিলেন । বিশ্বভারতী পত্রিকার কার্তিক-পৌষ ১৩৫৩ সংখ্যায় ইহার কতকগুলি বাংলা অনুবাদ সহ মুদ্রিত হইয়াছিল । ૨ ૨8