প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:রূপান্তর-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/২৪৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রূপান্তর ৪ অধর্বের পরিদ্যাব পৃথিবী সন্ত আরমুপাতিষ্ঠে প্রথমজামৃতস্ত' (২,১,৪ ) মন্ত্রটিও তাহার খুব ভাল লাগায় তিনি তাহার অনুবাদ করেন। শেষ সপ্তকে এই মন্ত্রটি তিনি চল্লিশ নম্বরের কবিতার প্রারম্ভে বসাইয়াছেন । r — শ্ৰীক্ষিতিমোহন সেন, বিশ্বভারতী পত্রিকা, বৈশাখ ১৩৫•, পু ৬-৭ শেষ সপ্তকের উক্ত কবিতার সেই সূচনাংশ : ঋষি কবি বলেছেন— ঘুরলেন তিনি আকাশ পৃথিবী, শেষকালে এসে দাড়ালেন প্রথমজাত অমৃতের সম্মুখে । ৫ খ্রীজগদীশ ভট্টাচার্য উক্ত প্রবন্ধে লিখিয়াছেন, “আমার পুস্তকে কবি নিজে তাহার কৃত অনুবাদগুলি চিহ্নিত কারয়া দিয়াছেন।” ৬ বর্তমান পর্যায়ে ৪-১ • -সংখ্যক কবিতা । বস্তুতঃ সংকলিত ১-১২ সংখ্যার কবিতাগুলি সবই নবরত্নমালায় আছে । ৭ এ বিষয়ে দ্রষ্টব্য— ইন্দিরাদেবী -প্রণীত ‘রবীন্দ্রসংগীতের ত্রিবেণীসংগম’ । ৮ খ্ৰীপ্রফুল্লকুমার দাস -প্রণীত ‘রবীন্দ্রসংগীত-প্রসঙ্গ, প্রথম খণ্ড, পৃ ৯৭ ৯ রবীন্দ্রপ্রতিভা গ্রন্থে “রবীন্দ্র প্রতিভার নেপথ্যভূমি” প্রবন্ধ, পৃ ২৭৯-৮• ১• দ্রষ্টব্য শ্ৰীসজনীকান্ত দাস -প্রণীত 'রবীন্দ্রনাথ ; জীবন ও সাহিত্য’, পৃ ২৪৬-৪৭ ও অভঙ্গ-প্রসঙ্গে পৃ ২৩৯ ১১ আনন্দলহরী বা সৌন্দর্যলহরীর উল্লিখিত শ্লোক বহু বৎসর পূর্বের একখানি খাতায় ( ‘মজুমদার-পাণ্ডুলিপিতে) পাওয়া গিয়াছে, গদ্যানুবাদ ১৩৪১ বৈশাখের বঙ্গত্র পত্রে প্রকাশিত ও পরে ছন্দ গ্রন্থে সংকলিত । 4. ১২ স্বভাষিতরত্নভাণ্ডাগারে ( ১৯৭২ ) বা কাব্যসংগ্রহে ( ১৮৪৭ ) পাঠভেদ আছে । শ্লোকটির যে পাঠ রবীন্দ্রনাথের ততঃ কিম প্রবন্ধ-ভুক্ত, ১৩১৩ অগ্রহায়ণের বঙ্গদর্শনে মুদ্রিত ( নবরত্নমালা ১৩১৪ সনেই প্রকাশিত) এবং পরে ধর্ম গ্রন্থে সংকলিত এ স্থলে তাহাই সংকলন করা গেল । ১৩ যুক্তাক্ষরযুক্ত এই দুটি শব্দেই চারি-মাত্রী-গণনার, অর্থাৎ মাত্রাবৃত্ত ছন্দের সার্থক প্রয়োগের, বৈশিষ্ট্য এ ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ব্যতীত আর কাহার হইতে পারে ? প্রত্যেক বাক্য-শেষে ‘কী’ (নবরত্নমালায় 'কি' ) শব্দের মাত্রাসৌষ্ঠবও রবীন্দ্রোচিত । ১৪ বাংলা ভাষান্তরের চমৎকারিত্বে নবরত্নমালাজুক্ত আরও কোনো কোনো কবিতা রবীন্দ্রনাথ -কৃত মনে হইতে পারে। * sa ૨૨br