পাতা:লক্ষণ সেন - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/১০৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শিবিরে। ৯৯ নগর আক্রমণ করা হইবে,—ইহাই মহারাজ লক্ষ্মণ-সেনের অভিপ্রায়। সেই নিবিড় জঙ্গল ভেদ করিয়া বিপক্ষ-সৈন্যদল মিথিলায় প্রবেশ করিবে, মিথিলাধিপতির মনে ভ্ৰমেও এ চিন্তার উদয় হয় নাই । যাহারা সীমান্ত-রক্ষক ছিল, ষে কারণেই হউক, তাহারাও সে সংবাদ মিথিলাধিপতিকে প্রদান করিতে সমর্থ হয় নাই। বিশেষতঃ, পূৰ্ব্ব-পথে ও পশ্চিম-পথে দলে দলে সৈন্ত অগ্রসর হইতেছে দেখিয়া, অরণ্য-পথের বিষয়ে কেহ কোনরূ/আশঙ্কাই করেন নাই। সন্ধার প্রাক্কালে গুপ্তচর আসিয়া সংবাদ দিল,—“কাল প্রভাতে বন্দীfদ গং মস্তকচ্ছেদ হইবে। প্রথমে বীরসিংহের পরে অদ্যান্ত্যের প্রাণদণ্ডের ব্যবস্থা হইয়াছে।” শিবিরে সেনাপতিগণ পরিবেষ্টি ত হইয়। মহারাজ লক্ষ্মণ-সেন যখন নানারূপ পরামর্শ করিতেছিলেন, সেই সময়ে এই সংবাদ উপস্থিত হইল । তাহারা মনে করিয়াছিলেন,—আরও দুই তিন দিন অপেক্ষা করিয়া মিথিলা আক্রমণের জন্য অগ্রসর হইবেন । কিন্তু গুপ্তচরের সংবাদে তাহাদিগকে বিচলিত করিয়া তুলিল । মহারাজ লক্ষ্মণ-সেন মিথিলার অত্যন্তরীণ অবস্থার বিষয় অবগত হইতে চাহিলেন । । গুপ্তচর নিবেদন করিল,—“মিথিলার আর সকল সৈন্যই এখন আমাদের সৈন্যদলকে আক্রমণ করিবার জন্য দুই দিকের দুই পথে প্রধাবিত হইয়াছে। কয়েকজন রক্ষি-সৈন্য মাত্র এখন নগর-রক্ষা-কার্য্যে ব্ৰতী রহিয়াছে। মিথিলার প্রধান সেনাপতি সৈন্ত-পরিচালনার ভার লইয়া পূৰ্ব্বাভিমুখে যাত্রা করিয়াছেন। রাজা জয়সিংহ প্রাসাদেই অবস্থান করিতেছেন ।