পাতা:লক্ষণ সেন - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/১১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


টাকা—টীকা—টাকা । १ করিলেন। ৱাহির করিয়াই আবার সেগুলিকে সিন্দুকে বদ্ধ করিতে গেলেন । পত্নী আশ্চর্যান্বিত হইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন,-“এ কি! টাকা আবার তুলে রাখ ছ নে! রাজসরকারে দিতে হবে না।” এইবার বসুজ মহাশয়ের শোকাবেগ যেন উথলিয়া উঠিল। তিনি অৰ্দ্ধ-বিজড়িত কণ্ঠে উত্তর দিলেন,—“সিন্দূকট। শূন্ত হ'লে আমার মনে হয়, ক'লু জের রক্ত যেন থানিকট বেরিয়ে গিয়েছে!” পত্নী।–“পরের টাকা পরকে দেবে। তাতে আর এত মমতা কেন ?” . বস্তুজ —“তুমি তার কি বুঝবে! আমি অনেক কষ্ট্রে, অনেক চিন্তায়, শরীরের অনেক রক্ত জল করে, অনেক ভাবনায়, এ গুলিকে সঞ্চয় ক’রে রেখেছি। আর সামান্য কিছু হ’লেই আমার আর একট। হাজার পূরতে। কিন্তু আর জমা হওয়া দূরে থাকৃ, আজ সিন্দুক থেকে অনেক টাকা বের ক’রে দিতে হবে। আমি প্রাণ থাকৃতে পাছি-নে।” পত্নী –“তুমি এ কি ব'ল্‌ছ, কিছুই বুঝতে পাছি নে! রাজার টাকা, রাজার ঘরে জমা না দিলে, রাজার পাইক এসে বেঁধে নিয়ে যাবে যে ! তখন টাকাও থাকৃবে না ; ধনে-প্রাণে মারা যেতে হবে । যাও—যাও, তুমি আর বিলম্ব ক’রে না । টাকা অনেক আছে—অনেক হবে। কিন্তু মান একবার গেলে প্লার ফিরে পাবে না।” এই সময় বহিৰ্ব্বট হইতে পাইক সংবাদ পাঠাইল—“আর দেরী হ'লে আজ আর দিনে দিনে পৌছানই যাবে না।”