পাতা:লক্ষণ সেন - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/১১৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পলায়নে । X > & SAMMMA SMSMSAMASASASJAMMAMMAMAMSAASAASAASAAMAMMeAAASAAAA পলায়নের পথ পরিষ্কার করিবার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করিবেন বলিয়া প্রতিজ্ঞায় আবদ্ধ আছেন । সুতরাং পিতার বিরুদ্ধে অস্ত্ৰধারণ করিতে হইতেছে বলিয়াও তিনি কুণ্ঠ বোধ করিলেন না। বীরসিংহ আপন পিতা সংগ্রামসিংহকে চিনিতে পারিলেও, সংগ্রামসিংহ পুত্র বীরসিংহকে চিনিতে পরিলেন না। একে রাত্রির নৈশ-অন্ধকার ; তায় পুত্র জীবিত, কি মৃত, কি বন্দিভাবে অবস্থিত,—তাহাও তিনি অবগত নহেন। তাহার পুত্র বীরসিংহ বিপক্ষ-পক্ষে অস্ত্র-ধারণ করিবে, ইহা তিনি স্বপ্নেও চিন্তা করিতে পারেন নাই । বীরসিংহ যদিও পিতাকে রাজা জয়সিংহের পশ্চাদ্ধাবনে ৰাধা দিলেন, কিন্তু র্তাহার শরীরে অস্ত্রাঘাত করিতে সঙ্কোচ বোধ করিলেন। পুত্র হইয়া কেমন করিয়৷ পিতার অঙ্গে অস্ত্রক্ষেপ করিবেন,—এই সঙ্কোচ-বশেই, সুযোগ পাইয়াও, তিনি পুনঃপুনঃ অস্ত্র-চালনায় নিরস্ত রহিলেন। আত্মরক্ষার চেষ্টা আর জয়সিংহের অনুসরণে বাধা-প্রদান,—এই দুই লক্ষ্য লইয়াই বীরসিংহ যুদ্ধ করিতে লাগিলেন। - সংগ্রামসিংহ পুত্র বলিয়া উহাকে চিনিতে পারিলেন না। সুতরাং স্তাহার বধসাধনে কেবলই সুযোগ অন্বেষণ করিতে লাগিলেন। অনেক ক্ষণ যুদ্ধ চলিল ; অনেক ক্ষণ জয়-পরাজয় অনিশ্চিত রহিল। পরিশেষে সংগ্রামসিংহের অস্ত্রাঘাতে বীরসিংহের বক্ষ বিদ্ধ হইল। বীরসিংহ অশ্বপৃষ্ঠ হইতে ভূতলে পড়িয়া গেলেন। তাহার দেহ ভূতলে লুষ্ঠিত হইতে লাগিল। ক্ষতস্থানের রক্তস্রাবে ধরণী সিক্ত হইতে লাগিল। যে পুত্রের অঙ্কুসন্ধানে ব্যাকুল হইয়া সংগ্রামসিংহ মিথিলায় প্রবেশ করিয়া