পাতা:লক্ষণ সেন - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/১৫৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জয়সিংহের পরিণাম | う○○ প্রতি কঠোর দণ্ডের বিধান করিতেন, তাহা হইলে তাহার সে অনুশোচনা হইত না । কিন্তু রাজা লক্ষ্মণ-সেন মহা-সমাদরে }{হকে গ্রহণ করিলেন । মিত্রের ন্যায় তাহার প্রতি সদ্ব্যবহার করিতে লাগিলেন । তাহার দুঃখে দুঃখ প্রকাশ করিলেন। শোভার সংবাদ না পাওয়ায়, রাজা লক্ষ্মণ-সেনও চিন্তান্বিত ৬ইলেন। শত্রুর নিকট এরূপ সদ্ব্যবহার রাজা জয়সিংহ ত্ৰমেও আশা করেন নাই। ‘মহারাজ লক্ষ্মণ-সেন—এত উদার, এত মহান! এই দেবচরিত্র মহাত্মার বিরুদ্ধে আমি অস্ত্র ধারণ করিয়াছিলাম ! ধিকৃ—আমায়!’ এবম্বিধ চিন্তায়, রাজা জয়সিংহের চিত্তে, যেন এককালে শত-বৃশ্চিক দংশন করিতে লাগিল। মহারাজ লক্ষ্মণ-সেনের সদ্ব্যবহারে তিনি এতই বিস্ময়াবিষ্ট হইলেন যে, অনেকক্ষণ পর্যন্ত তাহার কোনও বাক্যক্ষপ্ত হইল না। রাজা জয়সিংহ’লজ্জিত হইয়াছেন মনে করিয়া, মহারাজ লক্ষ্মণ-সেন কহিলেন,– “আপনার সঙ্কুচিত হইবার কোনও কারণ নাই। ঘটনাচক্রে যাহা ঘটিয়াছে, তাহার জন্য অমুশোচনা বৃথা। আপনি পূৰ্ব্বেও যেমন আমার মিত্ররাঙ্গ-মধ্যে পরিগণিত ছিলেন, ভবিষ্যতেও তাঁহাই থাকিবেন। মানীর মান ধৰ্ব্ব করা—আমার অভিযানের উদ্দেশ্য নহে।" রাজা জয়সিংহের নেত্রে বাষ্পসঞ্চার হইল। তিনি বাপগদগদ কণ্ঠে কহিলেন,-“এত মহান—এত উদার না হইলে এই বিপুল সাম্রাজ্য আজ আপনার করতলগত হইবে কেন ? কিন্তু মহারাজ। আর আমার রাজ্যৈশ্বর্ঘ্যে প্রয়োজন নাই। যাহার যুদ্ধ চাহিয়া আমি মিথিলার আধিপত্য-রক্ষায় প্রযত্নপর