পাতা:লক্ষণ সেন - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/১৮৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


লক্ষণ-সেন । א"לל আশ্রয় লইবেন ? কি করিবেন ?—কিছুই স্থির হইল না। কখনও অসুশোচনা আসিল ; কখনও রোষে ক্ষোভে হৃদয় छेtत्रशिठ श्ब्ली उंठिंल । ভাবিতে লাগিলেন,—‘কেন তাহার এরূপ অবস্থা-বিপৰ্য্যয় ঘটিল ? মনে হইল,—তাহার এই শোচনীয় অবস্থার মূল— মহারাজ লক্ষ্মণ-সেন ; লক্ষ্মণ-সেনের জন্যই তিনি আজি এইরূপ অপমানিত মৰ্ম্মাহত-– পথের ভিখারী ’ তখন যত রোষ যত ক্ষোভ মহারাজ লক্ষ্মণ-সেনের উপর ন্যস্ত হইল। প্রাণের ভিতর ক্রমশঃ বিষম প্রতিহিংসা-প্রবৃত্তি জাগিতে লাগিল । অবসন্ন দেখে, কিছুক্ষণ পরে, তজা আসিল । ত্রিলোচন তন্দ্রঘোরে নদীর তীরে বালুর শয্যায় ঢলিয়। পড়িলেন। কিন্তু নিদ্রাতেও মনের অশান্তি দূর হইল না। তিনি স্বপ্নে নানা বিভীষিক দেখিতে লাগিলেন । দেখিতে পাইলেন,--লক্ষ্মণসেনের অনুচরবর্গ তাহার বাড়ীঘর লুণ্ঠন করিতেছে, তাহার গৃহিণীর উপর নৃশংস-ভাবে অত্যাচার করিতেছে। ত্রিলোচন কাতর-কণ্ঠে রাজপুরুষগণকে প্রতিনিবৃত্ত হইতে অনুরোধ করিতেছেন । কিন্তু ফলে তাহার। র্তাহাকে বন্দী করিয়া লইয়৷ গেল। তা হার প্রতি—তাহার পরিজনবর্গের প্রতি নিৰ্য্যাতনের অবধি রহিল না । অনুনয়-বিনয়ে কাতর-ত্রুন্দনে কোনই ফল ফলিল না । হৃদয়ে প্রতিহিংসানল জলিয়া উঠিল। ত্রিলোচন মনে মনে প্রতিজ্ঞ করিলেন,-“যদি কথনও দিন পাই, লক্ষ্মণ-সেন ! দেখিব—তোমারই একদিন কি আমারই একদিন ; তোমার সৰ্ব্বনাশ-সাধনই এখন আমার একমাত্র ব্রত হইল। প্রতিজ্ঞার