পাতা:লক্ষণ সেন - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/১৮৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


এ কি স্বপ্ন ! ১৮৩ সঙ্গে সঙ্গে এক অপূৰ্ব্ব আলোকে নদীবক্ষ উদ্ভাসিত হইল। রাজ-অত্যাচার-প্ৰপীড়িত দেবতারা যেন স্বৰ্গ হইতে তাহাকে অভয় দিতে অসিলেন । তাহার। ত্রিলোচনকে সম্বোধন করিয়া কহিলেন,--“বৎস! আমাদের সঙ্গে এস। তোমার অভীষ্ট পূর্ণ হইবে—তোমার সঙ্কল্প সিদ্ধ হইবে। সঙ্গে সঙ্গে ত্রিলোচন উচ্চ-চীৎকার করিয়া কহিলেন,— “আমার সঙ্কল্প লক্ষ্মণ-সেনের সর্বনাশ-সাধন ! আপনার আমার সহায় হইবেন কি !” নভোমণ্ডল প্রতিধ্বনিত করিয়া উত্তর হইল, -"পাপের উচ্ছেদ-সাধনে অবগুই সহায়ত পাইবে ।’ ত্রিণে চনের নিদ্রাভঙ্গ হইল । চক্ষু চাহিতেই ত্রিলোচন দেখিতে পাইলেন,—সম্মুখে কে যেন দণ্ডায়মান। তিনি অভয় দিয়া ত্রিলোচনকে কহিতেছেন,—“আপনার উদেখা সিদ্ধ হইবে । আসুন, আমার সঙ্গে আসুন ।” ত্ৰিলোচনের যেন চমক ভাঙ্গিল ; বিস্মিত হইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন,—“আপনি কে মহাশয় ? কোথা হইতে আসিলেন ? আমার মনের ভাবই বা কি করিয়া জানিলেন ?” আগন্তুক গম্ভীর-স্বরে কহিলেন,—“সে পরিচয় পরে হইবে । আসুন, এখন আমার সঙ্গে আসুন ; ঐ বজরায় আসুন ।" ত্ৰিলোচন চাহিয়া দেপিলেন,—তিনি যেখানে অবসন্ন-দেহে তন্দ্রাভিভূত হইয়া পড়িয়া ছিলেন, তাহারই অনতিদূরে নদীবক্ষে একখানি সুবৃহৎ বজরা অবস্থিতি করিতেছে।” বজরাধানি কতক্ষণ হইতে সেই ঘাটে অবস্থান কারওেছিল, ত্ৰিলোচন তাহার কিছুই বুঝিতে পারিলেন না। কাহার ৰজরা, কোথা হইতে আসিল, বজরার আরোহীয় তাহাকেই ব৷