পাতা:লক্ষণ সেন - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/২০৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


९०९ লক্ষণ-সেন গ্রাসাচ্ছাদনের জন্য সামান্য বৃত্তির ব্যবস্থা আছে। সেই বৃত্তি-হেতু তিনি রাজ-সংসার হইতে আপনাদের নিত্য-ব্যবহার্য্য চাউল ডাউল প্রভৃতি প্রাপ্ত হইতেন। সেই বৃত্তিতেই তাহাদের জীবিকা নিৰ্ব্বাহ হইত। আকাঙ্ক্ষাও অধিক ছিল না । সুতরাং যাহা কিছু পাইতেন, তাহাতেই আনন্দে দিন কাটিয়৷ যাইত। গঙ্গাবাসে ইষ্টচিন্তা ভিন্ন তাহদের মন অদ্য চিন্তাযু কখনও উদ্বেলিত হইত না । আপনার কনিষ্ঠ ভ্রাতাকে সঙ্গে করিয়া কমলমণি যেদিন রায় মহাশয়ের কুটিরে আসিয়া আশ্রয় লইলেন, বৃদ্ধ-বৃদ্ধার সেদিন আর আনন্দের অবধি রহিল না । রাজ-সংসার হইতে র্তাহার যে সামান্ত বৃত্তি পান, সে বৃত্তিতে দুই জনের অধিক লোকের যে কুলান হইতে পারে না, সে চিন্তা তাহাদের মনে আদৌ স্থান পাইল না। আপনাদের উদরপূৰ্ত্তি হউক বা না হউক, অভ্যাগত আত্মীয়ের কোনরূপ কষ্ট না হয়, বুদ্ধ-পুদ্ধ। সদাই তৎপক্ষে যত্নশীল রহিলেন । দিনের পর দিন কাটিয়া গেল, মাসের পর মাস কাটিয়া গেল ; ত্ৰিলোচন বসুর মুক্তির জন্য রায় মহাশয়ও সাধ্যমত চেষ্ট৷ করিলেন। কিন্তু ত্রিলোচনের মুক্তি-লাভের কোনই উপায় করিতে পারিলেন না। ত্রিলোচনের প্রাণদণ্ড হইবে, ইহাই সাব্যস্ত ছিল। কিন্তু মিথিলার যুদ্ধ উপলক্ষে সকলেরই মন চঞ্চল থাকায় মহারাজ লক্ষ্মণ-সেন প্রাণদণ্ডের আদেশ কিছুদিন স্থগিত রাখিয়াছিলেন। এখন ঘটনাচক্রে যদিও ত্ৰিলোচন মুক্তিলাভ করিলেন, কিন্তু কমলমণির সহিত তাহার সাক্ষাৎ ঘটিল না । রাজকৰ্ম্মচারিগণের কেহ কেহ রায় মহাশয়ের গৃহে ত্রিলোচন