পাতা:লক্ষণ সেন - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/২৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


२० লক্ষণ-সেন । কহিল,—“মা! তুই আর র্কাদিস-নে। সেখানে গেলে, জগবন্ধু আমাদের সকল ভাবনা দূর করবেন।” পদ্মাবতীর পিতাও কন্যর সুরে মুর মিলাইয়া কাত্যায়নীকে কহিলেন,—“পুরুষোত্তমের পুণ্যক্ষেত্রে একবার গমন করিতে পারিলে, সকলের সকল দুঃখের অবসান হয়। তুমি একটুও অবসন্ন হইও না । সেই সৰ্ব্বমঙ্গলময় জগতের নাথ-কাহারও অমঙ্গল-বিধান করেন নাই।” পতির উত্তেজনায়, কন্যার দৃঢ়তায়, কত্যিায়নী একটু শান্তভাবাপন্ন হইলেন। পরদিন প্রভাতে নবদ্বীপে যাত্রী করা ধার্য্য হইল। নবদ্বীপ হইতে রাজার লোক-জন যে দিন পুরুষোত্তমে রওনা হইবে, সেই সঙ্গে তাহাদেরও যাওয়ার বন্দোবস্ত হইবে—স্থির হইয়া রহিল।

  • , *

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ । سدمسجG٦ یپی 2مجمسيسه লক্ষণোৎসব । পদ্মাবতীকে সঙ্গে লইয়া সস্ত্রীক ভট্টাচাৰ্য্য মহাশয় যে দিন নবদ্বীপে আসিয়া উপস্থিত হইলেন, রাজধানী সে দিন এক অভিনব উৎসব-আনন্দে মগ্ন ছিল। বৈশাখী পূর্ণিমার পর, তিন দিন কাল, রাজবাটী সেই উৎসবে আমোদিত থাকিত। সেই উৎসবের নাম-“সারস্বত উৎসব।” সরস্বতীর বরপুত্রগণ—দেশের সাহিত্যানুরাগী